রফিকুল ইসলাম জসিম
নিজস্ব প্রতিবেদক>
সরকারি মাধ্যমিকে সিনিয়র শিক্ষক পদে মণিপুরি মুসলিম সম্প্রদায়ের ১৩ কৃতি সন্তান পদোন্নতি পেয়েছেন এর মধ্যে আলিয়া মাদ্রাসার পড়াশোনা ৬ জন আলেম দ্বীন হলেন,হাফেজ মুফতি মোঃ করিম উদ্দিন, মাওলানা মোঃ নাসির উদ্দিন, আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ গোলাম রাব্বানী,মাওলানা মোঃ হামিদুল ইসলাম, মাওলানা মোঃ আনোয়ার হোসেন, মাওলানা মোঃ জুমের আলী। তাদের সাথে পদোন্নতি পেয়েছেন আরো মণিপুরি মুসলিম সম্প্রদায়ে৭ জন শিক্ষক তারা হলেন মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, মোহাম্মদ শাহাজ উদ্দিন, মোঃ আশরাফ মোহিত, মোঃ মোস্তাক আহম্মদ, সুরাইয়া বেগম ও মোঃ বদরুল ইসলাম।
প্রথম শ্রেণি-গেজেটেড, ৯ম গ্রেড, পদে পদোন্নতি পাওয়া ৬ জন আলেম দ্বীন তারা বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড হতে(আলিয়া মাদরাসা)কামিল পাশ করে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক ও বিএড ডিগ্রি অর্জন পূর্বক শর্ত পূরন করে এ পদন্নোতি পেয়েছেন।
বাংলাদের সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশ করা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত ৫ হাজার ৪৫২ জন সহকারী শিক্ষককে সিনিয়র শিক্ষক (৯ম গ্রেডে ১ম শ্রেণির নন–ক্যডার) পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।এতে জানা যায়, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ২২ জন শিক্ষককে ৯ম গ্রেড, প্রথম শ্রেণি -গেজেটেড, পদে পদোন্নতি পেয়েছে। এদের মধ্যে মণিপুরি মুসলিম সম্প্রদায়ের ১৩ জন শিক্ষকও রয়েছে। এছাড়া অপর আরেকজন উপরোক্ত শর্ত সমূহ পুরন পূর্বক পদোন্নতির অপেক্ষায় রয়েছেন হযরত মাওলানা মোঃ রশিদ উদিন।
মাদ্রাসা পড়াশোনা করা সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য করা হয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাব দিয়ে আলহাজ্ব মাওলানা গোলাম রাব্বানী বলেন, কোনো পার্থক্য করা হয় না৷ কেনো কোনো ক্ষেত্রে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এগিয়ে থাকেন৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায়ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা উপরের দিকে থাকেন৷ মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষার পাঠ্যসূচি ও পাঠক্রম যেহেতু একইরকম তাই পার্থক্যের কোনো কারণ নেই৷ তারা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারও হচ্ছেন৷ বাকিটা নির্ভর করে ব্যক্তির যোগ্যতা ও দক্ষতার ওপর৷
আলিয়া মাদ্রাসার পড়াশোনা করা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কোন কোন বিষয় পাঠদান করেন? মাওলানা মোঃ হামিদুল ইসলাম বললেন়, আমাদের নিয়োগ পত্রে লেখা আছে যে বিষয়ভিত্তিক নিয়োগ তা হলেও যে কোন বিষয় পড়াইতে বাধ্য থাকিবে। সুতরাং আমার বিষয়ের পà