বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

লকডাউন উঠিয়ে নেয়ার বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: খুব তাড়াতাড়ি করোনার বিধিনিষেধ উঠিয়ে নেয়ার বিরুদ্ধে সরকারগুলোকে হুঁশিয়ারি করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটি বলছে, যেসব দেশ এ ঝুঁকি নিয়েছে, তাড়াহুড়ো করে স্বাভাবিকতায় ফিরে যাওয়ায় তাদের অনেক বড় খেসারত দিতে হতে পারে।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচওর জরুরি বিষয়ক শীর্ষ বিশেষজ্ঞ মাইক রায়ান বলেন, সংক্রমণের নতুন ঢেউ কাছেই চলে আসছে। বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে মহামারি কেবল শুরু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মহামারি শেষ হয়ে যায়নি। আমেরিকার দেশগুলোলোতে সপ্তাহে ১০ লাখ মানুষের করোনা শনাক্ত হচ্ছে। ইউরোপের অবস্থাও ভালো না, সেখানে সপ্তাহে পাঁচ লাখ মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। এটি এমন কিছু না, যা চলে গেছে।

গত সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আফ্রিকার পরিচালক ডা. মাশিডিসো মোইতি হুঁশিয়ারি দেন, মহাদেশটিতে মহামারির তৃতীয় ঢেউয়ের মাত্রা ও গতি—আমরা আগে যেগুলো দেখেছি, তার কোনোটির মতোই হবে না। এখন প্রতি তিন সপ্তাহে করোনা সংক্রমণ দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। দ্বিতীয় ঢেউয়ের শুরুতে যেটা চার সপ্তাহে হতো।

রাশিয়ায় করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা আরেকটি দৈনিক রেকর্ড ভেঙেছে মঙ্গলবার। দেশটিতে এদিন ৭৩৭ জনের বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। আর গত মাসের চেয়ে সংক্রমণ সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। জুনের শুরুতে যেটি ৯ হাজার ছিল, চলতি সপ্তাহে তা ২৩ হাজার।

এছাড়া করোনার ডেলটা ধরন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। গত এপ্রিলে এ ধরন প্রথম ভারতে শনাক্ত হয়। এখন পর্যন্ত এ অতিসংক্রামক ধরন প্রায় ১০০টি দেশে ছড়িয়েছে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে একটি দেশের জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে করোনার টিকা দিতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। উন্নত টিকাদান কর্মসূচির দেশগুলোর জন্যও যা অনেক কঠিন একটি কাজ।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ