বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আবারো নতুন ঘোষণা বাইডেনের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।  তিনি বলেছেন, আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হওয়ার পরও কিছু মার্কিন সেনা দেশটিতে থেকে যাবে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন। খবর নিউইয়র্ক টাইমস ও আল-জাজিরার।

বাইডেন আফগানিস্তানের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কাজ অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আফগানিস্তানের সেনাবাহিনী যাতে দেশের নিরাপত্তা রক্ষা করার মতো শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে সেজন্য আফগান জনগণের উচিত নিরাপত্তা বাহিনীকে সহযোগিতা করা। আফগান সৈন্যরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠলে আমরা আমাদের সেনাদের পুরোপুরি প্রত্যাহার করব।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আফগানিস্তান সম্পর্কে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বলেন, আমি এই মুহূর্তে আফগানিস্তান সম্পর্কে আর কিছু বলতে চাই না বরং আগামী সপ্তাহে এ ব্যাপারে আরও কথা বলবো।

এর আগে একজন মার্কিন সেনা কর্মকর্তার জানিয়েছিলেন, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের কাজ সম্পন্ন হবে এবং এরপর বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য ৬৫০ মার্কিন সেনাকে দেশটিতে মোতায়েন রাখা হবে।

শুক্রবার আফগানিস্তানের বৃহত্তম বিমান ঘাঁটি বাগরাম থেকে সর্বশেষ সেনা প্রত্যাহার করে নেয় আমেরিকা।

দেশটিতে এটি ছিল আমেরিকার সর্ববৃহৎ সেনা ঘাঁটি। এখানে হাজার হাজার তালেবান বন্দিকে আটক রাখা হয়েছিল।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ