মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সরকার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় বিক্ষোভ মিছিল স্থগিত করল বিকেএম শিগগিরই ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন শুরু হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবেই ভারতে প্রবেশ না করে ফিরে এসেছি’  সনদ নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাবে মুখ খুললেন ইফা ডিজি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী আদ্-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলেমের পদস্খলন: একটি সূক্ষ্ম অধ্যায় মহাখালী-তেজগাঁও সড়কে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অবরোধ হিফজুল কুরআনের শিক্ষার্থীদের জন্য রাবেতার নতুন আরবি কর্মসূচি চালু স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর ‘সুখবর’ ইন্দোনেশিয়ায় ৬.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

রক্তদানে নিহিত আছে যে ৭ উপকারিতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।সারিব সুইজা।।

অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কারও রক্তের প্রয়োজন হলে স্বেচ্ছায় তাকে রক্ত দেওয়া যাবে এতে কোনো সমস্যা নেই। রক্ত বেচা জায়েজ নেই। তবে স্বেচ্ছায় রক্ত দেওয়ার মতো কোনো মানুষ পাওয়া না গেলে একান্ত অপারগতার কারণে রক্ত কেনা জায়েজ আছে। তবে কোনো অবস্থায় বেচা জায়েজ নেই। তথ্যসূত্র : জাওয়াহিরুল ফিকাহ, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-২৩, কিতাবুল ফাতাওয়া, খণ্ড-৬, পৃষ্ঠা-২১৩।

বিপদগ্রস্ত মানুষকে রক্তদানে রয়েছে নানা উপকারিতা-

১-রক্তদানের প্রথম এবং প্রধান কারণ,একজনের দানকৃত রক্ত আরেকজন মানুষের জীবন বাঁচাবে।

২-রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মধ্যে অবস্থিত ‘বোন ম্যারো’ নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয় এবং রক্তদানের ২ সপ্তাহের মধ্যে নতুন রক্তকণিকার জন্ম হয়ে ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। বছরে ৩ বার রক্তদান আপনার শরীরে লোহিত কণিকাগুলোর প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে তোলার সাথে সাথে নতুন কণিকা তৈরির হার বাড়িয়ে দেয়। উল্লেখ্য রক্তদান করার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দেহে রক্তের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়।

৩-নিয়মিত রক্তদান করলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

৪-আরেক গবেষণায় দেখা যায়, যারা বছরে দুই বার রক্ত দেয়, অন্যদের তুলনায় তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। বিশেষ করে ফুসফুস, লিভার, কোলন, পাকস্থলী ও গলার ক্যান্সারের ঝুঁকি নিয়মিত রক্তদাতাদের ক্ষেত্রে অনেক কম পরিলক্ষিত হয়েছে। চার বছর ধরে ১২০০ লোকের ওপর এ গবেষণা চালানো হয়েছিলো।

৫-নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে নিজের শরীরে বড় কোনো রোগ আছে কিনা তা বিনা খরচে জানা যায়। যেমন : হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইচআইভি (এইডস) ইত্যাদি।

৬-প্রতি পাইন্ট (এক গ্যালনের আট ভাগের এক ভাগ) রক্ত দিলে ৬৫০ ক্যালরি করে শক্তি খরচ হয়। অর্থাৎ ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

৭-রক্তদান ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত পুণ্যের বা সওয়াবের কাজ। একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সমগ্র মানব জাতির জীবন বাঁচানোর মতো মহান কাজ। পবিত্র কোরআনের সূরা মায়েদার ৩২ নং আয়াতে উল্লেখ আছে, ‘একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সমগ্র মানব জাতির জীবন বাঁচানোর মতো মহান কাজ।'

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ