আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর ও দিদারুল ভূঁইয়াসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দিয়েছে পুলিশ। তবে মামলার অন্যতম আসামি লেখক মুশতাক আহম্মেদ মারা যাওয়ায় চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
এজাহারভুক্ত আরো তিন আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার আদালতে চার্জশিট দাখিল করে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল বিভাগ।
সংশ্লিষ্টরা গণমাধ্যমকে জানায়, গত বছর ৫ মে র্যাব-৩-এর ওয়ারেন্ট অফিসার আবু বকর সিদ্দিক রমনা থানায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, লেখক মুশতাক আহম্মেদ, দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়া, মিনহাজ মান্নানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।
এ ঘটনায় আহমেদ কবির কিশোর, মুশতাক আহম্মেদসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকিরা পলাতক ছিলেন। পরে এ ছয়জনের বিরুদ্ধে ‘আই অ্যাম বাংলাদেশি’ নামের একটি ফেইসবুক পেজ থেকে ‘রাষ্ট্রবিরোধী পোস্ট, মহামারি করোনা, সরকারদলীয় বিভিন্ন নেতার কার্টুন দিয়ে গুজব ছড়িয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির’ অভিযোগ আনা হয়।
গত সেপ্টেম্বরে এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া মিনহাজ মান্নান ও দিদারুল ভূঁইয়া জামিনে মুক্তি পান। তবে কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় লেখক মুশতাক আহম্মেদ মারা যান।
জানা গেছে, গত বুধবার ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের উপপুলিশ পরিদর্শক মো. আফছর আহমেদ সাত আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- আহমেদ কবির কিশোর (৪৫), দিদারুল ইসলাম (৩৯), মিনহাজ মান্নান ইমন (৫২), তাসনিম খলিল (৩৯), সামিউল ইসলাম খান ওরফে সায়ের জুলকার নাইন ওরফে সামি (৪৩), আশিক মোহাম্মদ ইমরান (৩৯) ও ওয়াহিদুন নবী (৪৯)।
-এএ