বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
৮৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলকে ইরানের হুঁশিয়ারি ১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত মাদরাসার বেতন সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অল্প বয়সেই হাফেজ হয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে রুবায়েত ও মৃদুল বিশ্বকাপে বিশেষ সম্মান পেল কালিমাখচিত সৌদির পতাকা বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, বন্ধ থাকবে ৯২টি চা বাগান কবিতায় ‘কাঠপেন্সিল তরুণ লেখক পুরস্কার’ পাচ্ছেন জিয়া হক আমি না-থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না : ট্রাম্প ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে আবার সোনালি যুগে ফিরিয়ে নিতে চাই’ ইরান আবারও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চাইলে, নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প

চট্টগ্রাম থেকে ফেনী নেওয়া হলো বাবুল আক্তারকে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চট্টগ্রাম থেকে ফেনীর কারাগারে নেওয়া হয়েছে সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে। পুলিশের সাবেক এই চৌকস কর্মকর্তা নিজের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলার আসামি।

আজ শনিবার তাকে ফেনীতে পাঠানো হয় বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার দেওয়ান মো. তারিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। জেলার জানান, ‘অবস্থানগত কারণে ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে’ বাবুল আক্তারকে ফেনী কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় মিতুকে। ওই সময় বাবুল আক্তার পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে যোগ দিতে ঢাকায় ছিলেন। স্ত্রী হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন বাবুল আক্তার। কিন্তু মিতুর বাবা পুলিশের সাবেক পরিদর্শক মোশারফ হোসেন প্রথম দিকে জামাতা বাবুল আক্তারের পক্ষে কথা বললেও পরে অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে হত্যার পেছনে তার জামাতা জড়িত।

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর মিতু হত্যার অভিযোগে শ্বশুরের করা মামলায় গত ১২ মে গ্রেফতার দেখানো হয় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে। এর দুই দিন আগে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে তাকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম নিয়ে যায় পিবিআই।আদালতের আদেশে পরে মিতু হত্যা মামলা যায় পিবিআইয়ের হাতে।

এদিকে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বাবুল আক্তারকে। কিন্তু রিমান্ড শেষে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার কোনো স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার জাহানের আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ