সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসা শিক্ষার কারিকুলাম যুগোপযোগী ও কর্মসংস্থানমুখী করার উদ্যোগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ছেলেদের জন্যও উপবৃত্তির ভাবনা সরকারের বাইতুল মোকাররম প্রতিষ্ঠায় শামসুল হক ফরিদপুরীর অনন্য অবদান হেরা গুহার নিঃসঙ্গ ভাবনা বুলবুল হত্যা: সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে ওসির সঙ্গে ইসলামী যুব আন্দোলনের সাক্ষাৎ দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ঢাকা মেডিকেল এলাকার আশপাশ যেন গাঁজাখোর জোন: কে এম শরীয়তুল্লাহ জামেয়া দ্বীনিয়া দারুল আবরার মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা হেলাল উদ্দিন আফতাবি-র ইন্তেকাল ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমীরে মজলিসের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৩২

শসার কিছু উপকারিতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো ঠিক রাখতে আর্দ্রতা বজায় রাখা জরুরি। এ কারণে দিনে ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি ও অন্যান্য তরল গ্রহণ আবশ্যক। শসা এমন একটি ফল যা শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শসায় শতকরা ৯৬ ভাগ পানি থাকায় এটি শরীরে দিনের পানির চাহিদা পূরণ করে। ফল এবং শাকসবজির মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পাওয়া গেলে শরীরের কোষগুলো যথাযথ পুষ্টি লাভ করে। এতে শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং সারাদিন কর্মক্ষম থাকা যায়। দিনের যেকোন সময় এ ফলটি হালকা নাস্তা হিসেবে খেতে পারেন।

প্রাকৃতিকভাবে ওজন কমাতে চাইলে নিয়মিত শসা খেতে পারেন। এটা খুবই হালকা ও সহজ ধরনের খাবার হওয়ায় যেকোন সময় খাওয়া যায়। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার ও পানি থাকায় এটি ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া এই ফলটিতে খুবই কম পরিমাণে ক্যালরি থাকে।

এছাড়া সবুজ রঙের এ ফলটিতে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিন , কার্বোহাইড্রেট , ভিটামিন কে, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়ামও পাওয়া যায়। এতে কোনো ধরনের ফ্যাট থাকে না। নিয়মিত এ ফলটি খেলে দ্রুত ফ্যাট ঝরে।

যদি কেউ ঘন ঘন অস্থিসন্ধির ব্যথা, পেশির ব্যথায় ভোগেন তাহলে দিনের খাদ্যতালিতায় পর্যাপ্ত পরিমাণে শসা রাখতে পারেন। এটি শুধু ত্বকের জন্যই ভালো নয়, হাড় ও মাংসপেশির জন্যও উপকারী। শরীরের অন্যান্য ব্যথা কমানোর জন্যও শসা ভালো কাজ করে।

শসা এমন একটি ফল যা মুখে অ্যাসিডের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করতে, পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। ফলে কম সময়ের মধ্যে ছোটখাটো কাটা এবং ক্ষত প্রতিরোধ হয়। নিয়মিত শসা খেলে মাড়ির রোগ এবং দাঁতের অসুস্থতার ঝুঁকি কমে।

টিস্যু তৈরি করে এবং রক্ত প্রবাহ উন্নত করে: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ শসা রক্তের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে, ফ্রি র‌্যাডিক্যালগুলির সাথে লড়াই করতে সহায়তা করে। এটি দেহে টিস্যু বাড়াতেও ভূমিকা রাখে।

শসা শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সহায়তা করে। এতে থাকা ফাইবার অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করতে ভূমিকা রাখে।

শসায় থাকা দ্রবণীয় ফাইবার রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ