মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

সাম্প্রদায়িক গোলযোগ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে: আল্লামা কাসেমী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেছেন, দেশে সাম্প্রদায়িক গোলযোগ সৃষ্টি করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিতে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। তাদের পাতানো ফাঁদে কোনভাবেই পা দেওয়া যাবে না। যে কোন মূল্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটূট রাখতে হবে। পাশাপাশি ষড়যন্ত্রকারী ও তাদের মদদ দাতাদের চিহ্নিত করে জাতির কাছে মুখোশ খুলে দিতে হবে ও এসব দেশবিরোধীদের প্রতিরোধে ব্যাপক গণসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে সকলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চক্রান্ত প্রতিরোধে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী এসব কথা বলেন।

আজ (১১ নভেম্বর) বুধবার রাজধানী ঢাকার পল্টনস্থ দলীয় কার্যালয়ে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেছেন জমিয়তের সহ-সভাপতি আল্লামা আবদুর রব ইউসুফী।

সভায় আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী আরও বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মাথা গরম করতে চাচ্ছে। কিন্তু আমরা সেই ফাঁদে পা দেব না। আমরা জানি ষড়যন্ত্রকারীদের সংখ্যা নগন্য। এ ছাড়া বাংলাদেশের সকল ধর্ম, বর্ণ ও মতাদর্শের মানুষ মিলে মিশে চলতে অভ্যস্ত। বাংলাদেশের ৯২ ভাগ মানুষ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী। আর ইসলাম সকল ধর্ম-বর্ণ ও মতাদর্শের মানুষের সাথে মানবিক ও সমাজিক সদাচরণ এবং সম্প্রীতি বজায় রেখে চলার শিক্ষা দিয়ে থাকে।

দলের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীর পরিচালনায় আলোচনায় আরও শরীক ছিলেন, সহ-সভাপতি মাওলানা জহিরুল হক ভূঁইয়া, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা নাজমুল হাসান, সহসকারী মহাসচিব মুফতি মাসউদুল করীম, মাওলানা সানাউল্লাহ মাহমূদী, অর্থসম্পাদক মুফতি জাকির হোসাইন কাসেমী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা বশীর আহমদ, মুফতি নাসির উদ্দীন খান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা জয়নুল আবেদীন, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা সলিম উল্লাহ, মাওলানা তাজুল ইসলাম, মাওলানা সিদ্দিকুল ইসলাম তোফায়েল, মাওলানা নূর মোহাম্মদ, মুফতি জাবের কাসেমী, মাওলানা মাহবুবুল আলম, মাওলানা সোলাইমান প্রমুখ।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ