বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানেই সৌদি-ইরানের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চায়- আমরা ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে মধ্যস্থতা করি।

গত সোমবার আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

ইমরান খান আরো বলেন, আমরা আগে থেকেই ইরান ও সৌদি আরবের সম্পর্ক উন্নয়নে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছি। সে প্রক্রিয়া বন্ধ হয়নি বরং ধীরে ধীরে উন্নতি লাভ করেছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি, যেন দুই দেশের মধ্যে কোনো বিরোধের সৃষ্টি না হয়। বিশেষ করে, তাদের সামরিক কার্যক্রমে যেন একে অন্যের বিপক্ষে এসে না দাঁড়ায় তা নিয়ে কাজ করছে পাকিস্তান। আমাদের প্রচেষ্টা অনেকাংশেই সফল হয়েছে

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের অক্টোবরে ইমরান তেহরান ও রিয়াদ সফর করেছেন। ওয়াশিংটনের আহ্বানে সফরটি করেছিলেন তিনি। গাল্ফ অঞ্চলে তেল নিয়ে নৈরাজ্য ও সহিংসতা বিষয়ক আলোচনা করেছেন তিনি দুই দেশের সঙ্গে।

জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘গত বছর সৌদি আরবের তেল খনিগুলোতে বেশ কয়েকটি হামলা করেছিল ইরান। ঘটনার তদন্তে আমরা গত বছরের নভেম্বর ও এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে যেসব গোলাবারুদ সংগ্রহ করেছি, তা ইরান থেকেই সরবরাহ হয়েছে এমন প্রমাণ আছে আমাদের কাছে।’

জাতিসংঘ মহাসচিবের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইরান। তাদের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এমন কথা বলছেন তিনি। ওই দুই দেশ আমাদের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। মিডেল ইস্ট মনিটর বলছে, ওই হামলার পর দুই দেশের সম্পর্ক বিরোধিতার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সেই উত্তেজনা প্রশমনেই ইমরান খান দুই দেশ সফর করেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ