বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন: খেলাফত মজলিস ‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট

‘কোরবানির চামড়ার ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করে চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে হবে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কোরবানি পশুর চামড়ার ন্যায্য দাম নির্ধারণ করার দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল শেখ ফজলে বারী মাসউদ ও সেক্রেটারী মাওলানা আরিফুল ইসলাম।

আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিৃবতিতে নেতৃদ্বয় চামড়ার ন্যায্য দাম নির্ধারণ করে গরিব ও কওমি মাদরাসাকে সহযোগিতা করার দাবি জানিয়েছেন।

তারা বলেন, চামড়ার দাম না পেয়ে গত বছর লক্ষাধিক পিস চামড়া ধ্বংস করা হয়েছিল। যার বেশির ভাগ মাটিচাপা কিংবা নদীতে ভাসিয়ে দেয়ার মত ঘটনাও ঘটেছিল। চামড়ার মূল্য না থাকায় স্মরণকালের ভয়াবহ বিপর্যয়ে পড়ে দেশের চামড়ার বাজার। দামে ধস নামায় প্রায় হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়। পাশাপাশি এই টাকা থেকে বঞ্চিত হয় গরিব ও এতিম জনগোষ্ঠী। করোনার কারণে চামড়া নিয়ে এবারো সেই সঙ্কট আরো বাড়ার শঙ্কা করছে সচেতন জনতা।

নেতৃদ্বয় আরও বলেন, লুটপাটের কারণে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোতে চরম অর্থ সঙ্কট চলছে। এ কারণে এবারও ট্যানারী মালিকরা ব্যাংক থেকে কোন টাকা পাবে কিনা শঙ্কা দেখা দিয়েছে। চামড়া শিল্প ধ্বংস হলে গরীব, দুঃখী ও এতিমদের হক নষ্ট হয়। সরকার-এর ভেতরের একটি মহল সিন্ডিকেট করে কওমি মাদরাসাকে ধ্বংস করতে এবং চামড়া শিল্পকে ধ্বংস করে নিজেরা ফায়দা লুটতে চায়।

তারা আরও বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া সরকারিভাবে কিনে দুই তিন মাস গুদামজাত করা যেতে পারে। এ ছাড়াও সারা দেশে মসজিদের ইমাম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এতিমখানা ও মাদরাসার প্রধানদের চামড়া নিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও চামড়া নিয়ে শঙ্কা কিছুটা হলে কমবে। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া বেচাকেনা হয় কি না তা মনিটরিং করতে জেলা প্রশাসক ও ইউএনওদের সম্পৃক্ত করতে হবে। সরকারের দেয়া ঋণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করলে চামড়া শিল্পকে বাঁচানো সম্ভব হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ