সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

লিবিয়ায় মানব পাচারের মামলায় আরও দু’জন রিমান্ডে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: লিবিয়ায় পাচারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার কবির হোসেন ও নাছির উদ্দিন নামের দুই আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১৭ জুন) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক এস এম গফফারুল আলম আসামি আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমান শুনানি শেষে তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলাটিতে মহসিন হাওলাদার, জাহাঙ্গীর হোসেন ও বাদশা ফকির নামের আসামিকে গ্রপ্তার করা হয়। মহসিন হাওলাদার আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। জাহাঙ্গীর হোসেন ও বাদশা ফকির প্রথম দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আরও সাত দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।

রাকিবকে পাচারের ঘটনায় তার বাবা মান্নান মুন্সি গত ৫ জুন পল্টন থানায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন মনির হাওলাদার, মহসিন হাওলাদার, খোকন হাওলাদার, জাহাঙ্গীর, বাদশা ফকির, কবীর, শরীফ, লিবিয়ায় অবস্থানকারী মুন্না, রহিম বেঙলি, আলামিন, রুবেল, আরিফ, শাকিল, সাইফুল, মানিক, আব্দুল্লাহ।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মনির হাওলাদার লিবিয়ায় থাকতেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে লিবিয়ায় লোক নিয়েছেন। মান্নান মুন্সি তার ছেলে রাকিবকে লিবিয়ায় পাঠানোর প্রস্তাব দিলে মনির হাওলাদার রাজী হন। গত বছরের জুন বা জুলাই মাসের দিকে মনির হাওলাদার রাকিবকে লিবিয়ায় পাঠায়। প্রথমে সাড়ে তিন লাখ টাকায় লিবিয়ায় নেয়ার কথা হলেও আসামিরা পরে আরো সাড়ে তিন লাখ টাকা দাবি করে। টাকার জন্য তারা রাকিবকে নির্যাতন চালায়। ভিটে বাড়ি বিক্রি করে আর সাড়ে তিন লাখ টাকা পাঠায় পরিবার। সাত লাখ ৫ হাজার টাকা দেয়ার পরও আসামিরা রাকিবকে ছাড়ে না। তারা আরও ৩০ হাজার টাকা দাবি করে। রাকিবকে নির্যাতন করে মান্নান মুন্সির সাথে কথা বলতে দিতো আসামিরা। তখন রাকিব চিৎকার চেঁচামেচি করে বাঁচার আকুতি জানাতেন। টাকা দিতে না পারায় রাকিবকে মারধর করে আসামিরা এবং এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাচ্ছে না পরিবার।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মে লিবিয়ায় মানবপাচারকারীদের হাতে ২৬ বাংলাদেশি নিহত ও ১২ জন আহত হন। ১৫ দিন আগে লিবিয়ার বেনগাজী থেকে মরুভূমি পাড়ি দিয়ে ত্রিপলিতে নেয়া হচ্ছিল ৩৮ বাংলাদেশিকে। পথেই তাদের জিম্মি করে সন্ত্রাসীরা। এর মধ্যে ২৬ জনকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর বিভিন্ন থানায় ২২টি মামলা দায়ের করা হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ