সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

টার্মিনাল-বাসযাত্রা হতে পারে সংক্রমণ বিস্তারের কেন্দ্র: কাদের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সচেতনতার প্রাচীর গড়ে তুলতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তা না হলে টার্মিনাল ও বাসযাত্রা হতে পারে সংক্রমণ বিস্তারের কেন্দ্র।

আজ বুধবার রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় নিজের সরকারি বাসভবন থেকে মেট্রোরেল প্রকল্পের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা দেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

অধিকাংশ গণপরিবহন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আবার বেশ কিছু অভিযোগও আমরা পাচ্ছি। আমি প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানোর অনুরোধ করছি ওই সকল এলাকায়। অর্ধেক বা তার চেয়ে কম যাত্রী নিয়েও পরিবহন চলছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি যাত্রীদের নিজেদেরকেও সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। তা না হলে টার্মিনাল এবং বাসযাত্রা হতে পারে সংক্রমণ বিস্তারের কেন্দ্র।’

গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শাস্তিযোগ্যে অপরাধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই ব্যাপারে আমি মালিক-শ্রমিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যর আমি বিআরটিএর সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিচ্ছি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, দুঃখজনক হলেও কিছু কিছু মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানতে শৈথিল্য প্রদর্শন করছে যা সংক্রমণের মাত্রাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে আক্রান্তের সংখ্যােও বাড়ছে। এ অবহেলা নিজের জন্য শুধু নয়, পরিবার ও সমাজ তথা অন্য‌দের জন্য।ও ভয়ানক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। দেশে করোনা করোনার ক্রমশ অবনতিশীল পরিস্থিতিতে সরকার সংক্রমিত এলাকা এবং এর নানান দিক বিবেচনায় নিয়ে এলাকাভিত্তিক বা জোনে বিভক্ত করার বিষয়টি ভাবছে বলেও জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার জনগণের পাশে আছে সবসময়। ক্রমশ অবনতিশীল এ পরিস্থিতিতে সরকার সংক্রমিত এলাকা এবং এর নানান দিক বিবেচনায় নিয়ে এলাকাভিত্তিক বা জোনে বিভক্ত করার বিষয়টি ভাবছে। বিশেষজ্ঞগণ এই বিষয়ে কাজ করছে। কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে।’

তিনি বলেন, ‘জনগণের ঘনত্ব, সংক্রমণের মাত্রা রোগীর সংখ্যা, পার্শ্ববর্তী এলাকা যোগাযোগ ব্যবস্থা, টেস্ট ফ্যাসিলিটি, চিকিৎসা সুবিধাসহ নানা বিষয় এর সঙ্গে জড়িত। বিস্তারিত পরিকল্পনা পাওয়া গেলে à¦