মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট সমাধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাতারে প্রতিনিধি দল ‘রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার না হওয়ায় পরিস্থিতির পরিবর্তন দৃশ্যমান নয়’ দেশের ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ইসলামপন্থীরা নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্নীতিবাজরা জনপ্রতিনিধি হবে: আমিরে মজলিস রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসি সচিবসহ ২০ কর্মকর্তা নিয়োগ ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় নবজাতককে হত্যা, অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৫৩ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদের দেয়ালে কালেমা তাইয়্যেবা জ্বালানি সংকট কাটাতে অন্তত দুই বছর সময় লাগতে পারে: ডা. জাহেদ মহাসড়কে কোনো ধরনের থ্রি-হুইলার চলতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লকডাউন ভেঙে টাঙ্গাইলে খাবারের জন্য বিক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হটলাইন নাম্বার চালু করলেও ত্রাণ না পেয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে লকডাউনে থাকা গ্রামবাসীরা।

আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ভূঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব সড়কের উপজেলার জিগাতলা এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন লকডাউনে থাকা এলাকাবাসী। পরে বিক্ষোভের সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রশাসন খাবারের ব্যবস্থার আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেয় তারা।

গত ১৩ এপ্রিল রাতে ওই গ্রামের ৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। পরে প্রশাসন গ্রামটিকে লকডাউনের ঘোষণা করেন এবং লকডাউনে থাকা সকলকে খাদ্য সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়ে হট লাইন নাম্বার চালু করেন। কিন্তু কর্মজীবী দিন মজুরদের কোনো প্রকার খাদ্য সামগ্রী না দেয়ায় বুধবার বিকেলে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত রোববার গ্রামের দুইজনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় গ্রাম লকডাউনের ঘোষণা করে উপজেলা প্রশাসন। এতে করে এলাকা থেকে বাহিরে ও বাহিরে থেকে আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে মজুদ থাকা খাবার ফুরিয়ে যায়। বিশেষ করে শিশুদের খাদ্য সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।

চারদিন অতিবাহিত হলেও ত্রাণ তো দূরের কথা কেউ তাদের সামান্যতম মানবিক সহানুভূতি পর্যন্ত দেখায়নি। কোনো ত্রাণ সহায়তা পায়নি।

জিগাতলা গ্রামের সোহেল, আলআমিন ও শাহআলম জানান, পুরো গ্রামটা লকডাউনের কারণে অবরুদ্ধ। কেউ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। ঘরে যে খাবার ছিল তা শেষ হয়েছে। বাইরে গিয়ে বাজার আনতে না পারলে না খেয়ে মরতে হবে। সরকারি-বেসকারিভাবে লকডাউনের পরে কোনো খাবার বা ত্রাণ সহায়তা পাইনি। ঘরে শিশু সন্তান রয়েছে তাদের খাবার ফুরিয়ে গেছে। এ যে কত বড় মানবিক বিপর্যয়!

স্থানীয় চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে ফেসবুকে আকুল আবেদন জানিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। উল্টো চেয়ারম্যান গ্রামবাসীর সাথে খারাপ আচরণ করেছে।

গোবিন্দাসীর ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, করোনায় আক্রান্তের পর জিগাতলা গ্রাম লকডাউনের আগে ১৩টি ত্রাণের প্যাকেট পেয়েছিলাম সেগুলো চা-স্টলে কাজ করা ব্যক্তিদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত জিগাতলা গ্রামের কোনো মানুষ ত্রাণ সহায়তা পায়নি। তাদের ঘরে খাবার নাই তাই তারা সড়ক অবরোধ করেছ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ