বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

খাশোগি হত্যায় ২০ সৌদি নাগরিকের শাস্তির রায় দিল তুর্কি আদালত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সৌদি আরবের প্রখ্যাত সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার ঘটনায় সৌদি আরবের ২০ জন নাগরিককে শাস্তির রায় ঘোষণা করেছে তুরস্কের একটি আদালত।

ইস্তাম্বুলের সরকারি আইনজীবীরা ১১৭ পৃষ্ঠার অভিযোগ তৈরি করে সৌদি আরবের এসব নাগরিকের শাস্তি দাবি করেন। ইস্তাম্বুলের একটি আদালত আইনজীবীদের অভিযোগ আমলে নিয়ে ২০ জনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করে।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, আদালতের রায়ে সৌদি আরবের সাবেক গোয়েন্দা উপপ্রধান আহমেদ আল-আসিরি এবং সৌদি যুবরাজের একান্ত সহযোগী সৌদ আল-কাহতানিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

তুর্কি আদালতের ঘোষিত রায়ের বক্তব্য অনুসারে-সৌদি আরবের বর্তমান গোয়েন্দা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মনসুর ওসমান এম আবু হুসাইনকে যুবরাজ বিন সালমানের কার্যালয় থেকে এই হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব দেয়া হয়। আহমেদ আসিরি তাকে সাংবাদিক খাশোগিকে ধরে আনার দায়িত্ব দেন তবে খাশোগি প্রতিরোধ করলে তাকে হত্যা করার নির্দেশ দেন।

জামাল খাশোগি ছিলেন একসময় সৌদি রাজ পরিবারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি এবং পরামর্শক কিন্তু যুবরাজ বিন সালমান ক্ষমতাধর হয়ে ওঠার পর তিনি সৌদি সরকারের কঠোর সমালোচকে পরিণত হন।

হত্যাকাণ্ড ঘটানোর জন্য তুর্কি আদালতের রায়ে আসিরি এবং কাহতানিকে দায়ী করা হয়েছে। তাদের দু জনকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। বাকিদের ব্যাপারেও একই রায় দিয়েছে তুর্কি আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২রা অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে সৌদি কনস্যুলেট ভবনে জরুরি কাগজপত্র আনতে যাওয়ার পর খাশোগিকে হত্যা করা হয়। এ কাজে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তা। বিষয়টি প্রথম দিকে সৌদি আরব অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে তুরস্কের গোয়েন্দা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের তৎপরতার কারণে খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে সৌদি আরবের সম্পৃক্ততার ঘটনা পরিষ্কার হয়ে ওঠে।

এ নিয়ে সারা বিশ্বে নিন্দা এবং সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় সৌদি আরব নামকাওয়াস্তে একটি তদন্ত করেছে তবে যে তুরস্কে এ ঘটনা ঘটেছিল সেই তুরস্কের তদন্ত প্রমাণ করে সৌদি আরবের যেসব ব্যক্তিকে সাজার রায় দিয়েছে সৌদি আরবে তারা বহাল তবিয়তে আছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ