বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

ভারতে মুসলিম বলে হাসপাতালে জায়গা পেলেন না অন্তঃসত্ত্বা মা, ওয়াইসির হুঙ্কার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ধর্মের কারণে অন্তঃসত্ত্বা নারী হাসপাতালে ভর্তি না করার অভিযোগ উঠেছে রাজস্থানের সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে। পরে ওই নারী অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে প্রসব করলেও সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়েছে।

স্বামী ইরফান খান অভিযোগ করে বলেন, আমার স্ত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় সিকরি এলাকার স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে আমাদের ভরতপুরের মহিলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কিন্তু সেখানে ডাক্তারেরা জানিয়ে দেন, আমরা মুসলিম তাই আমাদের জয়পুরে যেতে হবে। তিনি বলেন, অ্যাম্বুলেন্সে করে জয়পুরে নিয়ে যাওয়ার সময়েই আমার স্ত্রী সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু আমাদের সন্তান বাঁচেনি। আমাদের সন্তানের মৃত্যুর জন্য জেলা প্রশাসনই দায়ী।

ভরতপুরের নারী হাসপাতালের প্রিন্সিপাল রূপেন্দ্র ঝা বলেন, এক অন্তঃসত্ত্বা নারী এসেছিলেন। অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় ওই মহিলাকে জয়পুরে রেফার করা হয়েছিল। তবে কোনও ত্রুটি ঘটে থাকলে তার তদন্ত করা হবে।

ঘটনাটি নিয়ে কথা বলছেন রাজস্থানের পর্যটনমন্ত্রী বিশেন্দ্র সিংহ। তিনি বলেন, মুসলিম নারীকে ধর্মের জন্য ভরতপুরের মহিলা হাসপাতাল থেকে জয়পুরে পাঠানো হল। ভরতপুরের বিধায়কই রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বিষয়টি লজ্জাজনক। তার দাবি, ভরতপুর হাসপাতালের গাইনোকোলজি বিভাগের ডাক্তার মোনিত ওয়ালিয়াই ধর্মের জন্য ওই মহিলাকে ভর্তি করতে চাননি।

মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের নেতা আসাদউদ্দিন ওয়েইসি হুঙ্কার ছেড়ে বলেন, ভরতপুরের হাসপাতালের কর্মীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। এমন ঘৃণার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে যে তার ফলেই প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ।

এখন কি মুসলিমেরা হাসপাতালেও যাওয়া বন্ধ করে দেবেন? মৌলবাদী হিন্দুত্ব কি সরকারি প্রশ্রয় পাচ্ছে? না সমাজের বড় অংশই মৌলবাদকে সমর্থন করছে? এই অবস্থা বদলাতে কোনও পদক্ষেপ করা হবে কি?

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ