রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আখতারুজ্জামানকে কারাগারে রাখার আবেদন যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে আলেমদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে’ সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৪২৩ জনের, মোটরসাইকেলেই ১৩৯ শাহজালালে মালয়েশিয়ান যাত্রীর কাছ থেকে ৪.৫ কেজি স্বর্ণ জব্দ নেক সন্তান লাভে কোরআনে বর্ণিত বিশেষ ৬ দোয়া মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের ড্রোন হামলার নিন্দা জানালো বাংলাদেশ আস সাহাবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ, মহাসচিব বদরুল ইসলাম যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারব: আইআরজিসি উপদেষ্টা অক্টোবরে ৩ লঘুচাপের শঙ্কা, রূপ নিতে পারে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে

ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে কনস্টেবল খুন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বাসে তুলে গলাকেটে গাজীপুরের ট্রাফিক কনস্টেবল শরীফ আহামেদকে (৩৩) খুন করা হয় বলে দাবি করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। হত্যাকাণ্ডের মূলহোতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১ অধিনায়ক লে. কর্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল।

শনিবার (১৪ মার্চ) দিনগত রাতে গাজীপুর ও ময়মনসিংহ এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মোফাজ্জল হোসেন (২৮), মাসুদ মিয়া (২৫) ও মনির হোসেনকে (৩০) আটক করে র‌্যাব-১। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত তাকওয়া পরিবহনের একটি বাস, রক্তমাখা গাড়ির হুইল রেঞ্জ, একটি চাকু এবং নিহতের তিনটি মোবাইলফোন উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১ অধিনায়ক লে. কর্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল বলেন, গাজীপুর মহাগনর ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত থাকার সুবাদে তাকওয়া বাসের হেলপার মোফাজ্জল হোসেন ও চালক মনিরের সঙ্গে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক ছিল কনস্টেবল শরীফের। কোনো অজ্ঞাত কারণে তাদের সুসম্পর্ক রূপ নেয় দ্বন্দ্বে। এর জেরে কনস্টেবল শরীফকে হত্যার পরিকল্পনা করে মোফাজ্জল হোসেন।

তিনি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ১ মার্চ (রোববার) কনস্টেবল শরীফকে খুন করার জন্য ১০ হাজার টাকায় ময়মনসিংহের ভাড়াটে খুনী মাসুদকে ভাড়া করেন মোফাজ্জল। ২ মার্চ (সোমবার) চুক্তি অনুযায়ী মাসুদ গাজীপুরে আসেন এবং মনিরের বাসায় হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।

৩ মার্চ (মঙ্গলবার) রাত সাড়ে ১১টায় মোফাজ্জল কৌশলে কনস্টেবল শরীফকে ভোগড়া বাইপাস এলাকা থেকে তাকওয়া পরিবহনের ওই বাসটিতে উঠান। চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় গিয়ে চলন্ত বাসের দরজা-জানালা বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর লোহার হুইল রেঞ্জ দিয়ে পেছন থেকে শরীফের মাথায় আঘাত করা হয়। অজ্ঞান হয়ে পড়লে চাকু দিয়ে তার গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। পরে নিহতের মোবাইল টাকা রেখে দিয়ে তাকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চলে যান তিন হত্যাকারী।

লে. কর্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ