শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :

নাগরিকত্ব আইন: ভারতের সুপ্রিম কোর্টে জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে (সিএএ) হস্তক্ষেপ চেয়ে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার হাই কমিশন।

গত সপ্তাহে সিএএ কে কেন্দ্র করে দিল্লিতে দাঙ্গার পর মঙ্গলবার এই নজিরবিহীন উদ্যোগ নিল জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন। ওই আবেদনে সিএএ-র বিরুদ্ধে জাতিসংঘের মানবিধকার কাউন্সিলকে মামলায় একটি পক্ষ হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে।

তবে জাতিসংঘের এই সংস্থাটির এমন পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে দিল্লি। তারা বলছে, এটি একান্তই ভারতের ‘আভ্যন্তরীণ ব্যাপার’ এবং কোনো বিদেশি শক্তি এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল বাখেলেট বলেছেন, নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা যে বিভেদ তৈরি হয়েছে তার উদ্দেশ্য যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত নয়।

এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এটি আইন প্রণয়নকারী সংসদের সার্বভৌম অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমদের দৃঢ় বিশ্বাস, ভারতের সার্বভৌমিকতায় সঙ্গে জড়িত কোনো বিষয়ের সঙ্গে বিদেশি পক্ষের হস্তক্ষেপ করার অধিকার থাকতে পারে না।’

জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ‘দেশভাগের মতো দুঃখজনক ঘটনা থেকে উদ্ভূত মানবাধিকার বিষয়গুলির প্রতি আমাদের দীর্ঘকালীন প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এই আইন।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, এই আইনবলে অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টিও সহজ হবে এবং তা সাংবিধানিক ভাবে বৈধ।

গত বছর ভারতের পার্লামেন্টে সিএএ আইন পাস হয়। আইনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে যারা ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেছে, তাদেরকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। তবে মুসলিমরা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন।

সংবিধানের সেক্যুলার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে সিএএ বাতিলের দাবিতে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ