আওয়ার ইসলাম: সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ডাক্তারদের খালেদা জিয়ার সঠিক রিপোর্ট না দেয়ার জন্য বাধ্য করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তার ফাস্টিং সুগার ছিল ১৪.৫। চিন্তা করা যায় না। ১৪.৫ যদি তার নিয়মিত সুগার হয় তাহলে সেটা তার হার্ডে এফেক্ট করতে পারে, কিডনিতে এফেক্ট করতে পারে বা লাঞ্চে এফেক্ট করতে পারে।
তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য যে আজকে আমাদের দেশে বিচার বিভাগ, উচ্চ আদালত সঠিক বিচার করতে পারে না। কারণ, একটা একনায়কতন্ত্র দেশ চলছে। ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র চলছে।
বিএনপি এ নেতা বলেন, আজকে এই সরকার ব্যাংকিং সেক্টরকে ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলতে কিছু নাই।
রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, আজকে দুই বছর হয়ে গেল সরকার সমস্যা সমাধান করতে পারেনি। আজকে অনেকে বলে, সরকার ইচ্ছা করে এটাকে জিইয়ে রেখেছে। কারণ, এতে তাদের লাভ হয়। পশ্চিমা বিশ্ব থেকে সমর্থন পাওয়া যায়। আর যে সাহায্য-সহযোগিতা আসে তার থেকে ভাগ- বাটোয়ারা পাওয়া যায়।
পানির ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে পানির দাম পাঁচবার বাড়লো। কিন্তু সে পানি মুখে দেওয়া যায় না, খাওয়া যায় না। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ৮ বার। কারণ পাওয়ার প্লান্টের নামে তারা যে লুট করেছে তার ভর্তুকি দেয়ার জন্য।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার আজকে মানুষের পকেট কেটে বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছে। যদি কোন পাওয়ার প্ল্যান্ট বিদ্যুৎ সরবরাহ না করে তবুও তাদেরকে ভর্তুকি দিতে হবে এই হচ্ছে তাদের চুক্তি। গতকাল জানলাম, প্রতি বছর ৫১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এই টাকা বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট থেকে নেওয়া হচ্ছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ।
আরএম/