আওয়ার ইসলাম: এসডিজি বাস্তবায়নে আলেমদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ।
তিনি বলেন, ধর্মীয় নেতাদের কথা সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করে, ধারণ করে এবং অবলম্বন করে। কারণ ধর্ম ন্যায়ের কথা বলে, কল্যাণের কথা বলে ও জনগণের কথা বলে। মানুষ হিসেবে যে কাজগুলো আমাদের করণীয় ও বর্জনীয় ধর্ম তা শিক্ষা দেয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা এসেছে উল্লেখ করে এসডিজি-বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ বিশ্বে যে মর্যাদার আসন পেয়েছে, তা বঙ্গবন্ধুর অবদান।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার সে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করতে রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন বলেও মন্তব্য করেন জুয়েনা আজিজ।
তিনি বলেন, ‘ইসলাম ধর্মে সামর্থ্যবান ব্যক্তি কর্জে হাসানা দেয়। দারিদ্র্য বিমোচনে কর্জে হাসানা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ইসলাম হলো পরিপূর্ণ জীবনবিধান। জীবন চলার পথে যা কিছু প্রয়োজন ইসলাম তা শিক্ষা দেয়। এসডিজি বাস্তবায়নে সকল ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা কামনা করছি।’
সোমবার (২ মার্চ) বিকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আগারগাঁওস্থ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত “টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট-এর ‘ভলান্টিয়ারি ন্যাশনাল রিভিউ’ দলিল প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা” শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ধর্মসচিব মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ‘ভালোর সাথে কোনো ধর্মের বিরোধ নেই। মানুষের কল্যাণে ও মানুষের উন্নয়নে এসডিজি বাস্তবায়নে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ভূমিকা পালনের সুযোগ রয়েছে।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) ড. মোয়াজ্জেম হোসেন, অতিরিক্ত সচিব (সংস্থা) মু: আ: হামিদ জমাদ্দার, অতিরিক্ত সচিব (হজ) এবিএম আমিন উল্লা নূরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপসচিব মো. মনিরুল ইসলাম, বায়তুল মোকররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
আরএম/