বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ২ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজান ও নির্বাচন সামনে রেখে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিতের নির্দেশ অর্ধশতাধিক আসনে খেলাফত মজলিসের মনোনয়ন প্রত্যাহার হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে ইমামকে অনন্য সম্মান তারেক রহমানের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই : তারেক রহমান রমজানে একজন দক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলার আয়োজন আস-সুন্নাহর ২৯ আসনে খেলাফত মজলিসের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিলেট-৩: মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে সমর্থন জানিয়ে সরে গেলেন তিন প্রার্থী যে কারণে একের পর এক খুন করেন সম্রাট

দিল্লি পুলিশকে ৬ বার সতর্কবার্তা পাঠায় গোয়েন্দারা, নিরাপত্তা বাড়াতে বলে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দিল্লির পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য যথেষ্ট সুযোগ পেয়েছিল ভারতীয় পুলিশ। তাদের ৬টি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল গোয়েন্দা বিভাগ। নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। পুলিশি ব্যর্থতায় এতগুলো মানুষকে নিহত হতে হলো।

ইন্ডিয়া টাইমস বলছে, গত রোববার ৬টি সতর্কবার্তা পেয়েছিল দিল্লি পুলিশ। বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র উত্তরপূর্ব দিল্লির মৌজপুরে জমায়েতের ডাক দেয়ার পর সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের জন্য বলা হয়েছিল।

কিন্তু পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি। আর সেদিন সন্ধ্যায়-ই অর্থ্যাৎ রোববার সন্ধ্যায়ই গণ্ডগোল শুরু হয়, যা তার পরেরদিন সোমবার ভয়াবহ সংঘর্ষে রূপ নেয়। গোয়েন্দাদের আগাম সতর্কবার্তা থাকা সত্ত্বেও পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়া আটকাতে ব্যর্থ হয় দিল্লি পুলিশ।

সূত্র জানায়, স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চ ও গোয়েন্দা বিভাগ বারবার রেডিও মেসেজে উত্তরপূর্ব দিল্লি প্রশাসন ও পুলিশকে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। রোববার দুপুর ১টা ২২ মিনিটে টুইট করে সিএএ-এর সমর্থনে ওইদিন বিকেল ৩টায় দিল্লির মৌজপুর চক এলাকায় জমায়েতের ডাক দিয়েছিলেন বিতর্কিত বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র। এই টুইটের ঠিক পরেই প্রথম সতর্কবার্তাটি পাঠিয়ে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করার কথা বলা হয় দিল্লি পুলিশকে।

ঝামেলা হতে পারে আঁচ করতে পেরে স্থানীয় পুলিশকে নজরদারি বাড়ানোর কথা বলেছিল গোয়েন্দা দফতর। এরপর পাথর ছোড়ার ঘটনা শুরু হলে ফের সতর্কবার্তা পাঠানো হয় বলে দাবি সূত্রের।

এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন,‘বিতর্কিত বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র যাতে তাড়াতাড়ি ওই এলাকা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন, তার জন্য এক শীর্ষ অফিসার তার সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু সিএএ বিরোধীরা তার সমর্থকদের লক্ষ্য করে ‘পাথর ছুড়তে’ থাকে। পাল্টা জবাব দেয় আক্রান্তরা। যদিও খুব কম সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।’

তবে বাস্তবে যে তা নিয়ন্ত্রণে আসেনি, তা বোঝা যায় সোমবার। রোববার জাফরাবাদে পুলিশকে আল্টিমেটাম দিয়ে কপিল বলেছিলেন, তিনদিনের মধ্যে বিক্ষোভকারীদের অবরোধ সরিয়ে দিতে হবে। সেই মন্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরই আগুনে ঘি পড়ে বলে অনেকের মত। হিংসা আর সংঘর্ষের ঘটনায় পরপর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে খোদ ভারতের রাজধানীতে। আহত হন ২৫০-রও বেশি মানুষ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ