আওয়ার ইসলাম: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আশঙ্কাজনকভাবে কম ছিল ভোটার উপস্থিতি। নির্বাচন কমিশন এর দায় প্রার্থীদের দিলেও তা মানতে নারাজ আওয়ামী লীগ। দলটির নেতারা বলছেন, কেন্দ্রে ভোটার বাড়াতে মূখ্য ভূমিকা ইসির।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনসহ সামনের উপনির্বাচনগুলোতে গণপরিবহন চলাচল নির্বিঘ্ন করা ও ছুটি দিনে ভোট না নেয়াসহ সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব নিয়ে সিইসির কাছে যাওয়ার চিন্তাও করছেন তারা।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ভোটার ৫৪ লাখের মতো, অথচ ভোট পড়েছে ১৫ লাখ। দক্ষিণ ঢাকায় এর হার ২৯ আর উত্তরে ২৫ দশমিক তিন দুই শতাংশ। কেন্দ্রে ভোটার কম আসার দায় প্রার্থীদের দিচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।
সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে ভোট কম পড়ায় চিন্তিত আওয়ামী লীগও। তবে সিইসির বক্তব্যে একমত নন দলটির নেতারা। তারা বলছেন, ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে দল নয়, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাই মূখ্য।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি এই অবস্থানের মধ্যেই ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে ইসি। ভোটার বাড়াতে তাই আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ।
এদিকে ঢাকার মতো চট্টগ্রাম সিটিতেও ইভিএমে ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে বগুড়া ও যশোর উপনির্বাচনে ভোট হবে যথারীতি ব্যালটে।
-এটি