সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড় জামায়াত-শিবির কখনো ইসলামি দল হতে পারে না: সিরাত সম্মেলনে বক্তারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রিকশা প্রতীকের আরও তিন প্রার্থী এলপিজি আমদানি নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

মুজিববর্ষে বাড়ি পাবেন ১৪ হাজার অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, দেশের অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। মুজিববর্ষে ১৪ হাজার অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে এই বাড়ি উপহার দিয়ে সন্মানিত করা হবে।

আজ রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধিতে জরুরি জন গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে আনীত নোটিশের জবাব দিতে গিয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে এ সংক্রান্ত নোটিশটি উত্থাপন করেন সরকার দলীয় সদস্য শাজাহান খান। তিনি অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

জবাবে মন্ত্রী বর্তমান সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া সুযোগ সুবিধা তথ্য তুলে ধরে বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রথম সন্মানিত করা শুরু করে। তখন ৩০০ টাকা করে ভাতা দেয়া হতো ৪০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে। সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে আজকে ১২ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে। আর ৪০ হাজারের স্থলে এখন শতভাগ মুক্তিযোদ্ধারাই এই ভাতার আওতাভুক্ত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে আগামী বাজেটে সক্রিয় বিবেচনাধীন আছে। মুজিববর্ষে ১৪ হাজার অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে একটি করে বাড়ি করে দেয়া হবে। এ ছাড়া স্বাধীনতার ৫০ বছরেও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অনেক উপহার থাকবে।

সংসদে মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে। তাই অবশ্যই সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা দিতে সরকার আন্তরিক। তাই এখন মুক্তিযোদ্ধারা অনেক সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। চিকিৎসার জন্য প্রত্যেক হাসপাতলে বিশেষায়িত হাসপাতালগুলো ৫০ লাখ থেকে এক কোটি টাকা আগাম দিয়েছি। যাতে কোনো মুক্তিযোদ্ধা টাকার অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে আমাদের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী ৫০ শতাংশ টাকা খরচ করার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যখন দাবি করবে তখনই তাদের টাকা বরাদ্দ হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ