সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

মুচলেকায় জামিন পেলেন ড. ইউনূস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শ্রম আইন লঙ্ঘন করা মামলায় পাঁচ হাজার টাকায় মুচলেকায় জামিন পেলেন গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের চেয়ারম্যান নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ রোববার ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলামের আদালত এ জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এর আগে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি।

গত ১৩ জানুয়ারি ড. ইউনূসসহ তার প্রতিষ্ঠানের আরও তিনজনকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন আদালত। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি আদালতে মামলাটি করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) তরিকুল ইসলাম।

মামলায় ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা, পরিচালক আব্দুল হাই খান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (জিএম) গৌরি শংকরকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের কারণে গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের চাকরিচ্যুত তিন কর্মীর পৃথক তিনটি মামলায় একই আদালত গত ৯ অক্টোবর ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। এরপর ৩ ন‌ভেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ ক‌রে জা‌মিন নেন তিনি।

নতুন মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল একজন পরিদর্শক প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স পরিদর্শন করে বিভিন্ন ত্রুটি দেখতে পেয়ে সেসব সংশোধনের নির্দেশনা দেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে পর ৭ মে ডাকযোগে বিবাদী পক্ষ জবাব দেয়। এরপর মামলার বাদী একই বছরের ১০ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটিতে পরিদর্শনে গিয়ে ১০টি বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পান এবং ২৮ অক্টোবর তা অবহিত করেন।

তবে বিবাদী পক্ষ সময়ের আবেদন করেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল করেনি। এতে বিবাদীরা বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৩ (ঙ) এবং ৩০৭ মোতাবেক দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন বলে মামলায় বাদী অভিযোগ করেছেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ