আওয়ার ইসলাম: পশ্চিমবঙ্গের মটিতে পা দেয়ার পরেই ব্যাপক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের মুখে পড়তে হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে বামেরা।
মোদির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্তাব্যক্তিদের চিন্তা শুধু রাজনৈতিক দলের বিক্ষোভ নয়, যেভাবে নাগরিক সমাজও ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও এনআরসির বিরুদ্ধে পথে নেমেছে, তাতে সমস্যা আরও বাড়ার আশঙ্কাই রয়েছে।
বিক্ষোভ এড়াতে প্রধানমন্ত্রীর বেলুড় যাওয়ার পথও রাতারাতি বদলে দেয়া হয়েছে। প্রথমে ঠিক ছিল সড়কপথে বেলুড় যাবেন তিনি। কিন্তু সড়ক পথের পরিবর্তে তিনি যাবেন গঙ্গাপথে।
আজ শনিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জলপথে মিলেনিয়াম পার্ক থেকে বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন যাবেন নরেন্দ্র মোদি। তাই গঙ্গায় নিরাপত্তায় কোনো ফাঁক-ফোকড় রাখা যাবে না। প্রশাসনিক কর্তারা অবশ্য জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা দেখে স্পেশাল প্রটেকশন গ্রুপ বা এসপিজি।
সন্ধ্যার পর আবহাওয়া যদি বিরূপ থাকে এবং এসপিজি যদি মনে করে এই আবহাওয়া নদীপথে যাত্রার উপযুক্ত নয়, তাহলে যাত্রাপথ পরিবর্তনও করা হতে পারে। তবে এটাও ঠিক যে সড়কপথে বেলুড় যেতে হলে ঘিঞ্জি রাস্তা দিয়ে যেতে হবে। সেটাও নিরাপত্তার দিক থেকে চিন্তার বিষয়।
প্রধানমন্ত্রীর আসাম সফর বাতিল হওয়া নিয়ে অনেকে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আসলে বিক্ষোভের মুখে পড়তে চান না বলেই আসাম সফর বাতিল করেছেন। শুক্রবারই তার আসাম সফরে যাওয়ার কথা ছিল। শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করেন ধ্বনি তুলবে বলে জানিয়েছে।
শনিবার কলকাতা বিমানবন্দরের লাগোয়া কৈখালি এবং ধর্মতলায় জমায়েত এবং রাজভবন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি রয়েছে। এছাড়া আরও কতগুলো প্রতিবাদ কর্মসূচি হতে পারে- এর সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনও প্রশাসনের কাছে নেই।
-এটি