মাহমুদুল হাসান
ইজতেমা ময়দান থেকে
টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে আজ বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। পাকিস্তানের মাওলানা খুরশিদ আলম এ বয়ান করেন। তবে এর আগেই বৃহস্পতিবার বাদ ফজর থেকেই শুরু হয় তালিমি বয়ান। রবিবার (১২ জানুয়ারি) মোনাজাতের মাধ্যমে আলমী শূরার তাবলিগ জামাতের সাথীদের ইজতেমা শেষ হবে।
ইজতেমায় অংশ নিতে বুধবার থেকেই ময়দানে আসতে শুরু করেন মুসল্লিরা। বৃহস্পতিবার দুপুর না গড়াতেই ভরে যায় ময়দান।
এরপরও আসতে থাকেন মুসল্লিরা। যতদূর চোখ যায় শুধু টুপি পরা মানুষ। আজ এখানে জুমার নামাজে মুসল্লির ঢল নামবে। জুমার নামাজে ইমামতি করবেন কাকরাইল মসজিদের পেশ ইমাম হাফিজ মাওলানা মুহম্মদ জুবায়ের আহমেদ।
এদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একপশলা বৃষ্টি হয় টঙ্গীতে। এরপর থেমে থেমে হালকা বৃষ্টি ও হিমেল হাওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে মুসল্লিদের।
বিকাল পর্যন্ত ৫১ দেশের প্রায় ২ হাজার বিদেশি মেহমান ময়দানে অবস্থান নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন গণমাধ্যম সমন্বয়কারী মুফতি জহির ইবনে মুসলিম। তিনি বলেন, এর মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক এসেছেন ভারত থেকে।
বৃহস্পতিবার বাদ ফজর তালিমি বয়ান করেন বাংলাদেশের মাওলানা রবিউল হক, বাদ আসর পাকিস্তানের মাওলানা ফাহিম, বাদ মাগরিব ভারতের মাওলানা ইব্রাহীম দেওলা। তারা ঈমান ও আমলের গুরুত্ব এবং তাবলিগের কাজের উসুল বর্ণনা করেন।
তাবলিগের শূরা সদস্য ভারতের মাওলানা আহমদ লাট, মাওলানা ফারুক (ভাই ফারুক), মাওলানা জুহায়েরুল হাসান, মাওলানা ইসমাইল গোদরা ও পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক, মাওলানা খুরশিদ আলম, মাওলানা নওশাদ, মাওলানা হাসমত উল্লাহ, মাওলানা বখতে মুনির, মাওলানা শাহেদ প্রমুখ ময়দানে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বছর ইজতেমাকে ঘিরে বিদ্যমান দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে দুই পর্বে ইজতেমা আয়োজন হয়। এবার আলমী শূরার সাথীদের ইজতেমা ১০, ১১ ও ১২ জানুয়ারি এবং ১৭, ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি মাওলানা সা’দ কান্দলভীর অনুসারীরা ইজতেমা পরিচালনা করবেন।
আরএম/