আওয়ার ইসলাম: ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী আবারো ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণে কলুষিত ঘটনার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, অতীতে ধর্ষণে পৈশাচিক মনোবৃত্তি চরিতার্থকারীদের উত্তসূরীরাই যে এধরনের জঘন্য কাজের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। তিনি বলেন, নারী র্ধষণরে মতো জঘন্য অপরাধ আজ নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশ আজ ধর্ষকদের অভয়ারণ্যে ও স্বর্গ রাজ্যে পরিণত হয়েছে। এতে নারী সমাজ নিরাপত্তাহীনতায় শংকিত।
আজ বুধবার আওয়ার ইসলামে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন, ধর্ষণের মতো কুপ্রবৃত্তি দূরীকরনে শুধু প্রতিবাদ সভা-সমারেশ ও মানববন্ধন যথেষ্ট নয়, বরং সমাজে বিষ ফোঁরার মতো ভিসিআর, নগ্ন ও অশ্লীল ছায়াছবি প্রদর্শন, পর্ণ ও রম্য পত্র-পত্রিকা, ইউটুবে,ও চলচ্চিত্রের প্রসার, বেলেল্লাপনা -উচ্ছলতা, সুন্দরী প্রতিযোগিতা ও মাদক দ্রব্যের সহজলভ্যতা প্রভৃতি যৌন আবেগপূর্ণ উপাদানগুলো যা ক্রমশঃ আমাদের সমাজে বিস্তার লাভ করেছে, তা উন্মুল কুরার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
এসব কারণে ইভটিজিং, নারী ধর্ষণ, অপহরণ ও এসিড নিক্ষেপের মতো অসামাজিক কার্যকলাপ ও অপরাধ প্রবনতা ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রশস্ত হচ্ছে ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য পথ।
তিনি দেশে বিরাজমান ধর্ষণসহ ক্রমবর্ধমান বিভিন্নমূখী অপরাধ দমনে ইসলামী আইন প্রবর্তনের প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইসলামী আইন ভিত্তিক বিচার ব্যবস্থা দৃষ্টান্তমূলক, অপরাধ প্রতিরোধক, স্বল্পমেয়াদী ও খরচবিহীন।
জনগণের ওপর ইসলামী আইনের প্রভাব অপরিসীম বিধায় ইসলাম ভিত্তিক নৈতিক উৎকর্ষতা সৃস্টি, জনগণকে স্বশিক্ষিত ও মার্জিত করে তুলতে সক্ষম। ইসলামী আইন মানুষের অপরাধ বিরোধী চেতনাকে শাণিত, উজ্জীবিত ও উদ্দিপ্ত করতে পারে অনায়াসে।
মানুষকে অপরাধ প্রবনতা থেকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে ইসলামী আইনের অবদান অনস্বাীকার্য। শুধু ইসলামী আইন ভিত্তিক বিচার ব্যবস্থাই পারে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে। তিনি বলেন, বৃটিশ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত আইন ভিত্তিক দেশে বিরাজমান বিচার ব্যবস্থা দীর্ঘ মেয়াদী ও ব্যয় বহুল।
তিনি বলেন, ধর্ষণের মতো কু অভ্যাস থেকে তরুণ-তরুণীদের বাঁচাতে স্বক্রিয় হওয়া সবারই কর্তব্য। এ নিকৃষ্ট অপকর্ম থেকে আমাদের তরুণ-তরুণীদের বাঁচাতে নির্মল, পবিত্র, স্বচ্ছ, নির্দোষ এবং নিজস্ব আদর্শের আলোকে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক বলয় গড়ে তোলা যেমন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। তেমনি নারীর লজ্জাশীলতা, সতীত্ব, পবিত্রতা ও নারীর সম্ভ্রম-সন্মান রক্ষার খাতিরে তাদের স্বভাব প্রকৃতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ জীবনযাপনের ব্যবস্থা করতে হবে।
-এটি