আওয়ার ইসলাম: টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা। রবিবার (১২ জানুয়ারি) মোনাজাতের মাধ্যমে আলমী শূরার তাবলিগ জামাতের সাথীদের ইজতেমা শেষ হবে। আজ বাদ ফজর শুরু হয়েছে জেলা জিম্মাদারদের উদ্দেশ্যে বয়ান।
ইতিমধ্যে ইজতেমা ময়দানে বিভিন্ন জেলা থেকে মুসল্লিদের আগমন শুরু হয়ে গেছে। গতকালই প্রায় সব জেলার জিম্মাদাররা টঙ্গীর ময়দানে এসে উপস্থিত হয়েছেন। ৮ জানুয়ারি বাদ ফজর জেলার জিম্মাদারদের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে দিক-নির্দেশনামূলক আলোচনা হয়েছে।
এদিকে মুসল্লিদের অবস্তানের জন্য মাঠ প্রায় প্রস্তুত। দেশব্যাপী আলেম-ওলামাদের ব্যাপক প্রচারণার ফলে এবারের আলমি ইজতেমা পর্বে অনেক মুসল্লির সমাগম ঘটার সম্ভাবনা থেকে ইজতেমার ময়দানে ২৪টি খিত্তার বাড়ানো হয়েছে।
বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দিতে প্রতিদিন কয়েক হাজার বিদেশি মুসল্লি বাংলাদেশে আসছেন। তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা ও বাসযোগে ঢাকায় পাঠানোসহ সব কাজ দ্রুত করার জন্য ঢাকার কাকরাইল মসজিদ থেকে একটি প্রতিনিধি দল কাজ করছেন।
যেসব দেশ থেকে বিদেশি মুসল্লিরা আসছেন সেসব দেশের তালিকায় রয়েছে- ইন্দোনেশিয়া, মালেশিয়া, আফ্রিকা, তুর্কমেনিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, ভারত, সৌদি আরব ও কম্বোডিয়া।
এবারের ইজতেমায় মাওলানা ইব্রাহিম দেউলা, মাওলানা আহমদ লাট, মাওলানা জুহাইরুল হাসান, মাওলানা খোবাইবুল হাসান, মাওলানা ইসমাইল গোধরা, ডক্টর সানাউল্লাহ খান, মাওলানা আকবর শরীফ, মাওলানা ইউনুস মুম্বাই প্রমুখ শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বিরা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের মিডিয়া সমন্বয়কারী মুফতি জহির ইবনে মুসলিম বলেন, ১০ই জানুয়ারি ইজতেমা শুরু হলেও মঙ্গলবার দুপুর থেকেই দূর-দূরান্তের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ময়দানে আসতে শুরু করেছেন।
উল্লেখ্য, গত বছর ইজতেমাকে ঘিরে বিদ্যমান দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে দুই পর্বে ইজতেমা আয়োজন হয়। এবার আলমী শূরার সাথীদের ইজতেমা ১০, ১১ ও ১২ জানুয়ারি এবং ১৭, ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি মাওলানা সা’দ কান্দলভীর অনুসারীরা ইজতেমা পরিচালনা করবেন।
আরএম/