রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের এতিম সন্তানদের পাশে আস-সুন্নাহ, দিলো বড় অনুদান সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা  ঢাকাই মসলিনের গবেষণায় সর্বোচ্চ সহায়তা দেবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী পাঠ্যবইয়ে প্রাণীর ছবি থাকলে শরিয়তের বিধান কী? সাভারে মহিলা মাদরাসায় হামলা, আতঙ্কে ছাত্রী-অভিভাবক কুমিল্লার বটগ্রাম মাদরাসার নতুন মুহতামিম মাওলানা জামালুদ্দীন জমি নিয়ে বিরোধে মসজিদের ইমামকে কুপিয়ে জখম শরীয়তপুর যুব জমিয়তের সভাপতি এনামুল, সম্পাদক তাজুল জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে সংবিধান পুনর্লিখনের আন্দোলন: আমিরে মজলিস ইন্ডিয়া ইসলামিক একাডেমি দেওবন্দের প্রথম অফলাইন কেন্দ্র হচ্ছে তেলেঙ্গানায়

পেঁয়াজ বিক্রিতে মন্দা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দাম বেশির কারণে পেঁয়াজ কম বিক্রি হওয়ায় লোকসানে পড়ছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারা বলছেন, বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির পরও কমছে না পেঁয়াজের দাম। যে কারণে তারা অল্প পরিমাণে পেঁয়াজ কিনছেন।

কৃষকরা জানান, এতো দিন বাজারে নতুন পেঁয়াজ ওঠে যেত। কিন্তু বৃষ্টির কারণে রোপণে দেরি হওয়ায় উঠতে দেরি হচ্ছে। বাজারে নতুন পেঁয়াজ পুরোপুরি আসতে ২০ থেকে ৩০ দিন সময় লাগবে। তখন হয়তো দাম কমবে।

ক্রেতারা বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। তারপরও দাম কমছে না, তাহলে সে পেঁয়াজ কোথায় যাচ্ছে? বাজার এভাবে থাকলে পেঁয়াজ খাওয়াই বন্ধ করে দিতে হবে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেন, রাজবাড়ীর বিভিন্ন স্থান থেকে তারা পেঁয়াজ কিনে এনে বিক্রি করেন। কিন্তু এখন বাজারে সরবরাহ কম এবং নতুন পেঁয়াজও তেমন আসছে না। যে কারণে দামও কমছে না। আগে যেখানে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ মণ পেঁয়াজ বিক্রি করতেন, এখন দাম বেশি থাকায় সেখানে মাত্র ২০ থেকে ৩০ কেজি বিক্রি করতেও হিমশিম খাচ্ছেন।

তারা বলেন, সারাদিন বসে থাকতে হয়। ক্রেতারা এসে দাম শুনে ২৫০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম, সর্বোচ্চ এক কেজি পেঁয়াজ কিনছেন। বাজার এভাবে থাকলে তাদের ব্যবসাই বন্ধ করে দিতে হবে।

-ওএএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ