মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

ভোলায় মুসলিম ঐক্য পরিষদের ডাকা আজকের সমাবেশ স্থগিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভোলার বোরহানউদ্দিনে ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননা বিষয়ক পোস্ট দেয়া ও সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় জেলা মুসলিম ঐক্য পরিষদের ডাকা দোয়া মাহফিল ও সমাবেশ ফের স্থগিত করা হয়েছে।

আজ শনিবার বেলা ১১টায় জেলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। এর আগে আরও তিন দফা ওই দোয়া সমাবেশ স্থগিত করা হয়।

ভোলা জেলা মুসলিম ঐক্য পরিষদের প্রচার সম্পাদক মাওলানা মো. নুরুল আমিন আশ্রাফী স্বাক্ষরিত বৃহস্পতিবার রাতে মিডিয়া কর্মীদের দেয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২০ অক্টোবর বোরহানউদ্দিনে সংঘর্ষে নির্মমভাবে ৪ জনকে হত্যা করা হয়। অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে সংগঠনের পক্ষ থেকে ৬ দফা দাবিসহ জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।

১৭ নভেম্বর দেয়া ওই স্মারকলিপি জেলা প্রশাসক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করে বিষয়গুলোর সমাধানের আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক। প্রশাসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ২৩ নভেম্বরের সরকারি বালক স্কুল মাঠের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়।

এর আগে সভা সমাবেশের উপর জেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সংগঠনের নির্ধারিত কর্মসূচি কয়েক দফা স্থগিত করা হয়ে ছিল বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, বোরহানউদ্দিনে বিপ্লব চন্দ্র শুভর ফেসবুক হ্যাক করে একটি চক্র ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতজনিত লেখা ওই আইডি থেকে পোস্ট দেয়। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তৌহিদী জনতার ব্যানারে একটি গ্রুপ পুলিশের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষে ৪ জন নিহত, আহত হন কম পক্ষে শতাধিক। এসব ঘটনায় ৩টি মামলায় এ পর্যন্ত ১৩ জন গ্রেফতার হয়েছে।

পুলিশ প্রশাসন জানায়, ভিডিও ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের সনাক্ত করেই আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ এ্যাসল্ট মামলায় অজ্ঞাত ৪-৫ হাজার আসামি হলেও কেবল হামলায় অংশগ্রহণকারী চিহ্নিত হওয়ার পরেই তাদের গ্রেফতার করা হয়ে থাকে। ফলে এক মাসে গ্রেফতার হয়েছে মাত্র ১৩ জন।

এর মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৩ জন। পুলিশ এ্যাসল্ট মামলায় ৮ জন। ৯ হিন্দু পরিবার ও মন্দিরে হামলা ভাংচুর ও লুট মামলায় ২ জন গ্রেফতার হয় বলে জানান বোরহানউদ্দিন থানার ওসি এনামুল হক।

এদিকে ভোলা জেলা মুসলিম ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি দাবি করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, চিহ্নিত অভিযুক্তদেরই গ্রেফতার করা হয়েছে। মুক্তি দেয়ার এখতিয়ার এখন আদালতের বিষয়।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ