আওয়ার ইসলাম: ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, দেশের মানুষ আজ শঙ্কিত। পেঁয়াজের আকাশচুম্বী মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ কোন ঘটনা নয়।
ভারত পেয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে বলে পেয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এমনটি ভাবার কোন কারণ নেই। আমরা মনে করি একদল মধ্যস্বত্বভোগী মুনাফাখোর পেয়াজ গুদামজাত করার কারনেই মূলত পেঁয়াজের বাজারে আগুন লেগেছে।
আজ শুক্রবার জুমার পর রাজধানীর সেগুনবাগিচার আত-ত্বরীক অডিটোরিয়ামে ইশা ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত শাখা প্রতিনিধি সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বানিজ্যমন্ত্রীর উচিৎ ছিল পেঁয়াজ গুদামজাতকারী মুনাফাখোরদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা।
কিন্তু এক্ষেত্রে বানিজ্যমন্ত্রীর কোন পদক্ষেপ না থাকায় তিনিও এ হীন কর্মকাণ্ডে জরিত রয়েছেন বলে আমরা ধারণা করছি। সুতরাং সরকারের বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকার যোগ্যতা তার নেই।
অপরদিকে এ বছরে ঘটে গেল প্রায় হাফ ডজন মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনা। এতে নারী-শিশুসহ শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। যা রীতিমত আঁৎকে ওঠার মত।
এসব দুর্ঘটনাকে সাধারণ কোন দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়া যায় না। আমরা মনে করি এটা স্পষ্ট হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রেল সচিবের বক্তব্যেও জাতি আশাহত।
এ ঘটনার পর রেল ও বানিজ্যমন্ত্রীদ্বয়ের উচিৎ নিজ উদ্যোগে স্ব-স্ব পদ থেকে পদত্যাগ করা। অন্যথায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা অনুরোধ করে বলবো এধরণের অযোগ্য ব্যক্তিদের অপসারণ করে যোগ্য ব্যক্তিদের মন্ত্রীত্বের জন্য বাছাই করুন।
অন্যথায় অযোগ্য মন্ত্রীদের কারণে আপনার ক্ষমতা হুমকির মুখে পতিত হবে বলে সচেতন মহল আশঙ্কা করছে।
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মাদ মুস্তাকিম বিল্লাহর সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এম. হাছিবুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল করীম আকরাম।
প্রশিক্ষণ সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মুহাম্মাদ আব্দুল জলিল, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রিয়াদ, প্রচার ও যোগাযোগ সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ, প্রকাশনা সম্পাদক ইউসুফ আহমাদ মানসুর।
অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক গাজী মুহাম্মাদ ওসমান গণী, কলেজ সম্পাদক এম.এম. শোয়াইব, আলিয়া মাদরাসা সম্পাদক সাইফ মুহাম্মাদ সালমান, স্কুল সম্পাদক শেখ ইহতেশাম বিল্লাহ আজিজী, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক নূরুল বশর আজিজী, সদস্য এম.এ হাসিব গোলদার, মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম, এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহ, মুহাম্মাদ ইবরাহীম হুসাইন সহ সারাদেশ থেকে আগত কেন্দ্রনিয়ন্ত্রিত শাখা দায়িত্বশীলবৃন্দ।
শাখা প্রতিনিধি সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ জেলা, নারায়ণগঞ্জ মহানগর, ঢাকা জেলা দক্ষিণ, গাজীপুর মহানগর, ঢাকা মহানগর পূর্ব, ঢাকা মহানগর পশ্চিম, ঢাকা মহানগর উত্তর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, সিলেট জেলা, হবিগঞ্জ, জামালপুর, মোমেনশাহী, নেত্রকোনা, চট্টগ্রাম মহানগর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ, চট্টগ্রাম উত্তর, কুমিল্লা উত্তর, কুমিল্লা দক্ষিণ।
নোয়াখালী উত্তর, নোয়াখালী, চাঁদপুর, পঞ্চগড়, দিনাজপুর দক্ষিণ, নীলফামারী, রংপুর জেলা, কুড়িগ্রাম, বগুড়া, নাটোর, পাবনা পূর্ব, পাবনা পশ্চিম, নওগাঁ, বরিশাল জেলা, বরিশাল মহানগর, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি।
ভোলা উত্তর, ভোলা দক্ষিণ, পিরোজপুর উত্তর, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, খুলনা জেলা, খুলনা মহানগর, বাগেরহাট, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, চরমোনাই আলিয়া, মাদরাসা-ই-আলিয়া ঢাকা, ঝালকাঠি এন.এস, তামিরুল মিল্লাত যাত্রাবাড়ী, বাইতুশ শরফ আলিয়া।
সরকারী তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বিএল কলেজ, বিএম কলেজ, ঢাকা পলিটেকনিক, বাঙলা কলেজ, নোয়াখালী সরকারী কলেজ, হাটহাজারী মাদরাসা, পটিয়া মাদরাসা, জামিয়াতুস সুন্নাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখাসহ কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত সকল শাখার উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ।
-এএ