আওয়ার ইসলাম: চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে বাংলাদেশ সীমান্তে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ড্রোন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। সম্প্রতি দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আকাশপথে নজরদারি বাড়াতে বিএসএফকে ড্রোন ব্যবহারের সম্মতি দিয়েছেন।
বিএসএফের এক কর্মকর্তা জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ড্রোন ব্যবহারের প্রস্তাব দেন তারা। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাদের এ প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন। এর ফলে সীমান্তে অরক্ষিত অঞ্চলগুলোতে আকাশপথে নজরদারি চালানো সহজ হবে।
তিনি আরও জানান, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অরক্ষিত অঞ্চলগুলোতে ড্রোন ব্যবহারের ফলে সঠিক সময়ের চিত্র পাওয়া সহজ হবে। বিএসএফের কন্ট্রোল রুম থেকে এসব ড্রোন পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি এসব অঞ্চলগুলোতে সতর্ক করার ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। ফলে অরক্ষিত সীমান্ত অঞ্চলগুলো দিয়ে অনুপ্রবেশ বা চোরাচালানের ঘটনা ঘটলেই সঙ্গে সঙ্গে সংকেত বেজে উঠবে এবং বিএসএফ তাৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। আসামের ধুবড়ি সীমান্তে ইতোমধ্যে এ ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।
বিএসএফ জানায়, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের পাঁচটি রাজ্যের ৪০৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত অরক্ষিত রয়েছে। রাজ্যগুলো হলো- আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মণিপুর ও পশ্চিমবঙ্গ। আগামীতে অরক্ষিত এসব সীমান্তগুলো সিল করে দেয়া হবে।
এদিকে দেশটির তিনটি সীমান্ত সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বিএসএফ এবং ইন্দো টিবেটান বর্ডার ফোর্সের সদস্য সংখ্যা আরো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। এ জন্য প্রতিটি ব্যাটিলিয়নে এক হাজার সদস্য বিশিষ্ট নতুন দশটি ব্যাটিলিয়ন গড়ে তোলা হবে। বিএসএফ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে এবং ইন্দো টিবেটান বর্ডার ফোর্স চীন সীমান্তে সুরক্ষার কাজ করে থাকে।
-এএ