সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

জন্মের শহর, স্মৃতির শহর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সম্প্রতি শরীফ মুহাম্মদের একটি দীর্ঘ আত্মজৈবনিক সাক্ষাৎকার নেন জহির উদ্দিন বাবর। সেই সাক্ষাৎকারটির অংশবিশেষ প্রকাশিত হয়েছে লেখা ও লেখকের কথা নিয়ে প্রকাশিত লেখকপত্রের তৃতীয় সংখ্যায়। এখানে পুরো সাক্ষাৎকারটি পর্যায়ক্রমে গদ্য আকারে প্রকাশিত হবে। আজ প্রকাশিত হলো প্রথম পর্ব- 


আমার জন্মের ও শিশুবেলার শহর ময়মনসিংহ। কিশোরকাল ও যৌবনকালেরও বড় একটা সময় কেটেছে এই শহরে। নিজের শহর নিয়ে অন্য সব মানুষের মতো আমার নিজেরও অনেক স্মৃতি। তবে স্মৃতির চেয়েও বড় ব্যাপার হলো মায়া। এমনিতেই মফস্বল শহর, আর সেই সত্তরের দশক, আশির দশকের ছড়ানো-ছিটানো একটা শহর; আধা গ্রাম, আধা শহর।

যে এলাকায় আমাদের বাসা ছিল- গলগন্ডা, সেই এলাকা এবং আব্বার দোকান ছিল ছোটবাজার, শহরের মাঝখানে; নানার বাসা ছিল নওমহল; এই তিনটা জায়গাকে কেন্দ্র করে পুরো শহরটাই ঘোরাঘুরি হতো। অদ্ভুত ভালো লাগতো। মায়া লাগতো। শহরে খেলাধুলার স্মৃতি যেমন আছে, ঘোরাঘুরির স্মৃতিও আছে, ছোটকালে আব্বার সঙ্গে বড় বড় মাহফিল-মজলিসে যাওয়ার সেই স্মৃতিগুলোও আছে।

আমার মনে পড়ে, আমি খুব ছোট তখন। চার-পাঁচ বছর বয়স। আমাকেসহ আব্বা-আম্মা চরপাড়া বেড়াতে গেলেন। সেখানে মাওলানা আতহার আলী সাহেবের বাসা। ওই সময়ের কথা খুব একটা মনে আছে, এমন না। তবে এখন ধূসর স্মৃতির ছবি মনে পড়ে। আম্মা একটা বাসায় গিয়ে উঠলেন। আর আব্বা আমাকে নিয়ে গেলেন। জামিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার পূর্ব দিকের যে ভবনটা, যে ভবনটায় এখন অফিস-দফতর, পেছনে একটা পুকুর দেখা যাচ্ছিল। বড় বড় জানালা। হজরত মাওলানা আতহার আলী সাহেব রহ. সম্ভবত আমাকে ডেকে নিয়ে কোলে বসিয়েছিলেন। এমন একটা স্মৃতি আমার মনে আছে। তিনি আব্বাকে খুব স্নেহ করতেন। সেই সুবাদেই আমাকে আদর করলেন।

ময়মনসিংহ পুরো শহরজুড়েই আমাদের আত্মীয়-স্বজন। অনেক স্মৃতি। এজন্য এখনও এই শহরের প্রতি একটা আলাদা মায়া, আলাদা টান আমি সবসময় অনুভব করি। প্রকৃতিগতভাবেই ময়মনসিংহের মানুষের মধ্যে শিল্প-সাহিত্য জড়িয়ে আছ -এমনটা শোনা যায়। প্রায় এক শতাব্দী বা তারও আগ থেকে যদি দেখা যায়, এমন একটা নজির কিন্তু পাওয়া যাবেও। শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির সঙ্গে ময়মনসিংহের আলাদা একটা সম্পর্ক রয়েছে।

ময়মনসিংহ বলতে বৃহত্তর ময়মনসিংহ; এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইলও আছে। এই অংশটাতে গত একশ বছরে অনেক লেখক-সাহিত্যিক আমরা পাবো। হয়তো অন্যান্য এলাকায়ও ব্যাপকসংখ্যক সাহিত্যিক আছেন। তবে নানা কারণে এই শব্দটা বা বাক্যটা ময়মনসিংহের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। আমি যখন এটা শুনি তখন মনে হয় এটা আল্লাহ তায়ালার দান। শিল্প-সাহিত্যের যে ক্ষেত্রটা সেটা ইসলামের দিকে ভারী হলে আমাদের নতুন প্রজন্ম এটা থেকে আরও বেশি উপকৃà