আওয়ার ইসলাম: ক্যাসিনো কাণ্ডে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের ২০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। রমনা থানায় দায়ের করা অস্ত্র ও মাদক আইনে করা পৃথক দুই মামলায় তার ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। আগামীকাল বুধবার সম্রাটের উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর আবেদনসহ রিমান্ডের শুনানি হবে।
সোমবার (৭ অক্টোবর) রাতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রমনা থানা পুলিশ সম্রাটের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন করেন।
আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) নিজাম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রমনা থানার তদন্ত কর্মকর্তা রাতে সম্রাটের রিমান্ড আবেদন করলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসমিন আরা আগামী বুধবার রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন।
তিনি জানান, এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানের বিরুদ্ধে দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আদালত তারও রিমান্ড ও গ্রেপ্তার শুনানি একই দিনে ধার্য করেছেন।
সোমবার বিকেল ৪টায় র্যাব-১-এর ডিএডি আব্দুল খালেক বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় মামলা দুটি করেন। এর মধ্যে মাদক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও আসামি করা হয়েছে।
এর আগে রোববার (৬ অক্টোবর) বিকেলে কাকরাইলে সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে মাদক, অস্ত্র ও ক্যাঙ্গারুর চামড়া উদ্ধার করে র্যাব। নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে ৬ মাস কারাদণ্ড দিয়ে কেরানীগঞ্জের কারাগারে পাঠানো হয় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি সম্রাটকে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে রমনা থানায় দুটি মামলা হয়েছে।
আলোচিত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ঢাকার জুয়াড়িদের কাছে ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি রাজধানীতে ক্লাব ব্যবসার আড়ালে অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে র্যাবের হাতে ধরা পড়েন সম্রাটের ডান হাত হিসেবে পরিচিত যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, রাজধানীর টেন্ডার কিং আরেক যুবলীগ নেতা জিকে শামীম। তারা গ্রেফতার হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাটের অবৈধ ক্যাসিনো সাম্রাজ্য নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে।
-এএ