আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী বলেছেন, মাওলানা আতহার আলীর ব্যক্তিত্ব এমন ছিল, রাজনৈতিক আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রদেরও তার দরবারে হাজির হতে হতো নানা কারণে। তাছাড়া রাজনীতিতে অনীহা মনোভাব পোষণকারী ওলামা-মাশায়েখদের রাজনীতির ময়দানে নামানো, রাজনীতির আদর্শ ধারণ, চর্চা ও অনুশীলন করানো যে কতটা কষ্টসাধ্য ছিল, তা মাওলানা আতহার আলীর রহ. রাজনৈতিক জীবন থেকে সহজেই হৃদয়ঙ্গম করা যায়।
নেজামে ইসলাম পার্টি নেতৃবৃন্দ গতকাল শনিবার বিকেলে পুরানা পল্টনের মাওলানা আতহার আলী রহ. মিলনায়তনে নেজামে ইমলাম পার্টি আয়োজিত ‘মাওলানা আতহার আলী রহ. জীবনী আলোচনা ও দোয়া মাহফিল’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্র্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা আতহার আলী রহ. এতদাঞ্চলে ইসলামী রাজনীতি প্রবর্তনের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে গেছেন। তার সুদৃঢ় ও উদার মানসিকতার কারণেই জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের রাজনৈতিক প্লাটফরম হিসেবে ১৯৫২ সালে নেজামে ইসলাম পার্টি গঠিত হয় এবং এর দ্বার ইসলাম মনস্ক সাধারণ শিক্ষিত লোকদের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হয়েছিল।
তারা আরও বলেন, সুদৃঢ় চেতনাসম্পন্ন একজন ইসলামী ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার উদার রাজনৈতিক মনোভাবের কারণে ইসলাম মনস্ক বহু প্রথিতযশা সাধারণ শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব নেজামে ইসলাম পার্টিতে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। তার আদর্শিক চেতনাবোধ সম্পন্ন ব্যক্তিত্বের ফলে ১৯৫৬ সালে প্রণীত তদানীন্তন পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্রে ইসলামী ধারা সংযুক্ত করা সম্ভব হয়েছিল।
মহাসচিব মুফতি আবদুল কাইয়ুমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মাওলানা আতহার আলীর বর্ণাঢ্য জীবনের বিভিন্ন দিকের ওপর আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন মাওলানা শেখ লোকমান হোসেন, মাওলানা এ কে এম আশরাফুল হক, মাওলানা ওবায়দুল হক, মাওলানা মাহবুব উল্লাহ, মাওলানা মিজানুর রহমান, মাওলানা অলিউল্লাহ ও মো: নুরুজ্জামান প্রমুখ।
আরএম/