সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২০ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাঙামাটিতে অগ্নিকাণ্ড: পুড়ল কারখানা ও বসতঘর  সাইয়েদুল ইস্তিগফার: অর্থ ও উচ্চারণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সংসদ সচিবালয়ে ভোটার তালিকা চেয়েছে ইসি ‘ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বন্যাদুর্গত ৩১০ পরিবারের পাশে যশোর জেলা ইমাম পরিষদ আধুনিক ও ইসলামি শিক্ষার সমন্বয়েই নৈতিক জাতি গঠন সম্ভব: সেনাপ্রধান ৫ আগস্ট ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের নাশকতা করার সক্ষমতা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জামায়াতে গেলে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, কর্নেল অলি তার নিকৃষ্ট উদাহরণ: রাশেদ খাঁন সুদানে আদালতে ড্রোন হামলায় নিহত ৩৫ নারীর স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ ও বিয়েতে বাধা নয়: ভারতীয় আদালত

সেই ‘ডিসি’র আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের তদন্ত হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের বিষয়ে বিভিন্ন বিভাগ থেকে তদন্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল গাফ্ফার খান।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে এ তথ্য জানান তিনি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে মন্তব্য করেন এই অতিরিক্ত সচিব।

তিনি বলেন, এক নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের বিষয়ে অবগত আছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বিভাগের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। অফিস খুললে বিষয়টি তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করবে মাঠ প্রশাসনের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এর আগে, জামালপুরের ডিসির একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে খন্দকার সোহেল আহমেদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। তবে শুক্রবার সকাল থেকে ওই আইডিতে আর সেই ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু এর মধ্যেই ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ভাইরাল আকারে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে।

৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে একটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ৩ আগস্ট জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরকে তার কার্যালয়ের এক নারীকর্মীর সঙ্গে অফিস কক্ষের পাশের রুমে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়।

তবে, সাংবাদিকদের কাছে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর ঘটনাটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানান।

যদিও তিনি স্বীকার করেন, ভিডিওটিতে দেখানো কক্ষটি তার অফিসের বিশ্রাম নেওয়ার কক্ষ এবং ভিডিও’র ওই নারী তার কার্যালয়ের ‘অফিস সহায়ক’ হিসেবে কর্মরত। ঘটনাটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার কথা বলার পরই বিশ্রাম কক্ষে যা ঘটেছে সেটাকে সাজানো বলে দাবি করেন তিনি।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ