মোস্তফা ওয়াদুদ
নিউজরুম এডিটর
ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশ্ন পাঠানোর পর সারাদেশে আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ- এর অধীনে এবারের দাওরায়ে হাদীসের (তাকমিল) পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পরপর দুই দফা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর নতুন এ পদ্ধতি প্রশ্নফাঁসরোধে বেশ কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে এই সাফল্যকে কিভাবে দেখছেন আলেমরা?
এ বিষয়ে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহ-সভাপতি ও হাইয়াতুল উলইয়ার সদস্য মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস বলেন, বিষয়টি খুবই কার্যকর পদ্ধতি। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানী আমাদের উপর, আমরা অত্যান্ত সফল ও স্বার্থকভাবে প্রশ্নফাঁস প্রক্রিয়াটি বন্ধ করতে পেরেছি। ভবিষ্যতে আমরা শুধু হাইয়াতুল উলইয়ার প্রশ্নই না, বেফাকের প্রশ্নও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করব। সেখানে এবারের প্রক্রিয়াটিও থাকতে পারে। আবার নতুন কোনো প্রক্রিয়াও আসতে পারে।
বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহ-সভাপতি, হাইয়াতুল উলইয়ার সদস্য ও জামিয়া এমদাদিয়া কিশোরগঞ্জ-এর প্রিন্সিপাল আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ বলেন, যুগে যুগে এমন অনেক মোনাফেক চরিত্রের লোক ছিলো এবং এখনো আছে। তারা চাচ্ছিলো না আমরা সুন্দর ও সুষ্ঠু একটি বিতর্কমুক্ত পরীক্ষা উপহার দেই। তাই তারা প্রশ্নফাঁস করে আমাদের দূর্নাম করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আল্লাহর মেহেরবানি যে, তাদের চক্রান্ত নস্যাৎ হয়েছে। হাইয়াতুল উলইয়ার পুরো সেটকে পরিবর্তন করতে পারলে ভবিষ্যতে আর এমন পরিস্থিরি সম্মুখীন হতে হবে না।
প্রশ্নফাঁসরোধে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ও সফলতা নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহ-সভাপতি, হাইয়াতুল উলইয়ার সদস্য ও জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুর সিলেটের মুহতামিম মাওলানা মুসলেহুদ্দীন রাজু বলেন, আল্লাহর রহমত আর আমার অভিজ্ঞতাই আমাকে এমন ঝুঁকি নিতে উৎসাহিত করেছে। কারণ, আমি বেফাকের আমেলার সাথে প্রায় ১৪ বছর ধরে রয়েছি। এর আগে আমার বাবা (আল্লামা নুরুদ্দীন গহরপুরী রহ.) সভাপতি থাকাকালীন কাছ থেকে বোর্ডের কার্যক্রম দেখেছি। আমি সবসময় যে বিষয়টি লক্ষ্য করেছি তা হলো- কোন পরিস্থিতিতেই মুরুব্বিরা ভেঙে পড়তেন না। পূর্ণ হিম্মত নিয়ে সম্মুখে এà