রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘কেনো ভাঙছে পরিবার, কোন দোহাইয়ে বৃদ্ধাশ্রমে বাবা-মা’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

পরিবার! সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। কয়েকটি পরিবার নিয়ে গঠিত হয় একটি সমাজ। সামাজিক বন্ধনের চেয়েও বেশি জরুরি পারিবারিক বন্ধন।

কিন্তু আজ আমাদের সমাজে দেখা যায়, সামাজিক বন্ধন রক্ষা করতে গিয়ে অনেকেই পারিবারিক বন্ধন ছিঁড়ে ফেলছে। দুনিয়ার সবচেয়ে সংবেদনশীল শব্দটির নাম মা; সে মাকে অনেকেই বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসছে।

প্রশ্ন করা হলে, এলিট শ্রেণির কেউ কেউ জবাব দেয়- "মা বুড়ো হয়ে গেছে, এখন সমাজের সবকিছু অতটা বুঝে না"। অথচ একসময় সন্তানের জন্য সবচেয়ে প্রিয়স্থান ছিলো মায়ের কোল। মাকে ছাড়া এক মুহূর্তও সন্তান থাকতে পারতো না। সে মাকে কিনা সামাজিক বন্ধন রক্ষার দোহাই দিয়ে ছুঁড়ে ফেলছে বৃদ্ধাশ্রমে। ছিঁড়ে ফেলছে পারিবারিক বন্ধন! এর কারণ কী? জানতে চেয়েছিলাম বিশিষ্ট লেখক ও মুহাদ্দিস মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন এর কাছে। কথা বলেছেন আওয়ার ইসলামের নিউজরুম এডিটর মোস্তফা ওয়াদুদ।

আওয়ার ইসলাম: পরিবার একটি বড় শক্তি! কথাটির ব্যাখ্যা মানুষ নানাভাবে ব্যাক্ত করে। আপনি যদি এ বিষয়ে কিছু বলতেন।

মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন: কথাটির ব্যাখ্যা খুবই সহজ। যেমন ধরুন আমরা যদি একটি শক্তিমান ভবন তৈরি করতে চাই। ভবন নির্মাণ উপাদান রড, সিমেন্ট, ইট। এ সবগুলো উপাদানই আলাদা আলাদা। এই আলাদা জিনিসগুলো একত্রিত হয়ে একটা ভবন হয়। এখন আলাদা জিনিসগুলোর যদি শক্তিমান না হয় তাহলে ভবনটি কিন্তু শক্তিমান হবে না। বরং ভেঙে যাবে।

ঠিক একইভাবে পরিবারগুলো নিয়েই একটি কমপ্লিট সমাজ। সুতরাং পরিবারের জায়গাটি যদি মজবুত হয়, একটি বড় শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে একটি সমাজ মজবুত হতে পারবে।

আওয়ার ইসলাম: আদিকাল থেকে দেখে আসছি, বাবা-মা, দাদা-দাদি এমনকি পরদাদা বেঁচে থাকলেও সবাই একই পরিবারে থাকতেন? বর্তমানে এ পারস্পারিক ও পারিবারিক বন্ধন টিকে না কেন?

মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন: এর কারণ অনেক হতে পারে। তবে সবচেয়ে প্রধান কারণ যেটা সেটা হলো, রাসূল সা. হলেন আমাদের আইডল বা আদর্শ। তিনি আমাদের প্রত্যেকটা কাজের ব্যাপারে আমাদের কী কর্তব্য বা দায়িত্ব সেটা বলে দিয়েছেন।

আমরা আমাদের সমাজকে আধুনিকায়ন করতে গিয়ে এ চিরন্তন পদ্ধতি থেকে সরে গিয়েছি। আমাদের কর্তব্য ভুলে গিয়েছি। দায়িত্বের ব্যাপারে সচেতন থাকছি না। আরেকটা দিক হলো অধিকার। এটা নিয়ে মানুষ খুব হইচই করে। নিজের অধিকারে কেউ ছাড় দিতে রাজি হই না। তাহলে আমরা দেখতে পাচ্ছি, এখানে দিক দুটো। একটি কর্তব্য অন্যটি অধিকার।

মানুষ যখন শুধু তার অধিকার নিয়ে কথা বলবে। নিজের কর্তব্য ভুà¦