মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬ ।। ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল  ল’ বোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ  মহিলা মাদরাসায় অগ্নিকাণ্ড: ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ‘প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে’ রাজশাহীতে নিখোঁজ দুই মাদরাসা ছাত্র উদ্ধার ইফতার-সাহরিতে অসহায় প্রতিবেশীর খোঁজ রাখুন: শায়খ আহমাদুল্লাহ ইফার আয়োজনে শুরু হচ্ছে জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা মক্কা-মদিনা থেকে সরানো হচ্ছে ইরানি ওমরাহ যাত্রীদের ময়মনসিংহের ইত্তেফাকুল মাদারিসিলের ফল প্রকাশ শনিবার ফজরের জামাতে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় গেল প্রাণ

নারীদের নাক ও কান ফোঁড়ানো প্রসঙ্গে ইসলাম কি বলে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নারীদের নাক ও কান ফোঁড়ানো নিয়ে নানা কথা শোনা যায়। অনেকে এটাকে আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির পরিবতর্ন বলে তা করতে নিষেধ করেন। অনেকে আবার বলেন, নারীদের অলংকার পরিধানের জন্য নাক বা কান ফোঁড়ানো সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তনের নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন নয়। বরং নারীদের নাক ও কানে অলংকার পরিধানের জন্য নাক ও কান ফোঁড়ানো জায়েজ। আসুন জেনে নেই এ ব্যাপারে ইসলাম কি বলে।

হজরত আব্দুর রহমান ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি এক ব্যক্তিকে ইবনে আব্বাস (রা.)-এর নিকট প্রশ্ন করতে শুনেছি, আপনি আজহা বা ফিতরের কোনো ঈদে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন? তিনি উত্তরে বললেন, হ্যাঁ। অবশ্য তার সঙ্গে আমার এত ঘনিষ্ঠতা না থাকলে স্বল্প বয়সের কারণে আমি তার সঙ্গে উপস্থিত হতে পারতাম না। তিনি আরও বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বের হলেন। তারপর নামাজ আদায় করলেন, এরপর খুতবা দিলেন। ইবনে আব্বাস (রা.) আজান ও ইকামতের কথা উল্লেখ করেননি। এরপর তিনি মহিলাদের কাছে এলেন এবং তাদেরকে ওয়াজ-নসিহত করলেন। তাদেরকে দান-সদকা করার আদেশ দিলেন। আমি দেখলাম, তারা তাদের কান ও গলার দিকে হাত প্রসারিত করে (কান ও গলায় পরিহিত গয়নাগুলো) হজরত বিলাল (রা.)-এর কাছে দিচ্ছে। এর পর হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হজরত বিলাল (রা.)-এর গৃহে গমন করলেন। (সহিহ বোখারি: ৫২৪৯)

হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ঈদুল ফিতরে দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন। এর পূর্বে ও পরে কোনো নামাজ আদায় করেননি। তারপর তিনি নারীদের কাছে আসলেন। সঙ্গে ছিল হজরত বেলাল (রা.)। তারপর তিনি নারীদের দান করতে আদেশ দিলেন। তখন নারীরা তাদের কানের দুল ও গলার হার দান করতে লাগল। (সহিহ বোখারি: ৯৬৪)

উপরের হাসিদ দ্বারা বুঝা যায় হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ থেকে নারীদের নাক-কান ফোঁড়ানো হতো। হাদিসে এ বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা করা হয়নি। তবে খেয়াল রাখতে হবে, ফরজ গোসল ও অজুর সময় যেন অলংকার ভেদ করে চামড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছায়। না হলে তার অজু-গোসল কোনোটাই হবে না।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ