আওয়ার ইসলাম: বিতর্কিত ডিসি-এসপিদের বদলির দাবি জানিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট।
রোববার বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান জোটের মুখপাত্র ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
তিনি এ সময় পক্ষপাতদুষ্ট, বিতর্কিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি এবং বাকিদের বদলির দাবি জানান।
একইসঙ্গে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ-মন্ত্রীদের পিএস, এপিএসদের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ না দেয়ারও দাবি জানান কর্নেল অলি।
জোটের প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে তিনি বলেন, আমরা বিতর্কিত কর্মকর্তাদের শাস্তি চাই না, বদলি চাই। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে এক জেলার কর্মকর্তাদের অন্য জেলায় বদলি করা জরুরি। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে এখনও সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। পুলিশ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে। ইসির নির্দেশনা এখন পর্যন্ত মাঠ পর্যায়ে প্রতিফলিত হচ্ছে না।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অলি আহমদ বলেন, আজকের দিন পর্যন্ত প্রমাণ করতে পারেনি ইসি সুষ্ঠুভাবে কাজ করছে বা তারা নিরপেক্ষ। তাদের সীমাবদ্ধতা আছে, সেটা আমরা জানি। তবে আমরা যে ১৩টি প্রস্তাব এনেছি, তাতে নির্বাচন কমিশনাররা একমত হয়েছেন। তারা বলেছেন, প্রস্তাবনাগুলো সুষ্ঠু নির্বাচনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
বৈঠকে ইসির কাছে লিখিত দাবিনামা তুলে দেয় ২০ দলীয় জোটের প্রতিনিধিরা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, জাতীয় ঐক্যফন্টের পক্ষ থেকে কয়েক দিন আগে নির্বাচন কমিশনে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের তালিকা দেয়া হয়েছিল, তাদের নির্বাচনকালীন সময়ে অন্যত্র বদলির দাবি জানাচ্ছে ২০ দলীয় জোট। তারা দাবি করেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য অতীতে এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ইসি।
লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, রিটার্নি কর্মকর্তাদের দায়িত্বপালন করা অনেক কর্মকর্তাই সরকারি দলের প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য রাতের আধারে ব্যালট পেপারে ভোট কাস্ট করে রাখেন।
চাকরির রক্ষার জন্য অনেক সময় তারা এই রকম অনৈতিক কাজে আত্মসমর্পণ করেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড এড়াতে ইসির আগে থেকেই ব্যবস্থা নেয়া দরকার।
সরকার একটি দুরভিসন্ধি ও নীলনকশার নির্বাচন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিনিয়তিই বিরোধী দলের নেতাকর্মীদেরে গ্রেফতার করছে, ভয়ভীতি দেখাচ্ছে, মিথ্যা মামলা দায়ের করছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে নির্বাচন কমিশনকে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে। এভাবে চললে নির্বাচন বানচাল হতে পারে।
ন