রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ।। ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জিয়াউলের নেতৃত্বে ভারত-বাংলাদেশজুড়ে ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ সক্রিয় ছিল’  সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা ‘রামমূর্তি স্থাপনের অজুহাতে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে’ মামুনুল হক ইস্যুতে এবার নিজের বক্তব্যও এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার রাজধানীতে সারা দিনের ভ্যাপসা গরম শেষে স্বস্তির বৃষ্টি গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ২, হাসপাতালে ২২০ ‘আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকার সচেষ্ট’  নির্বাচন ভবনের আশপাশের অবৈধ কম্পিউটারের দোকান উচ্ছেদে ইসির চিঠি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৭ মামলায় ৫৯ জনের সাজা’  বিসিএসে ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা পদ্ধতি বহাল থাকবে

‘মাহফিল নিয়ে ইসির নির্দেশনা মানবে না আলেম সমাজ’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেছেন, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ওয়াজ-মাহফিল আয়োজনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা আলেম সমাজ মানবে না।

আজ শনিবার গণমাধ্যমের কাছে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী।

জমিয়ত মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন যে সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছে, আমরা বারবার বলে আসছি। ওয়াজ-মাহফিল নিয়ে কমিশনের এমন হঠকারি নির্দেশনায় সেটা আবারও প্রমাণিত হয়েছে। সংবিধানে দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

ধর্ম পালন, ধর্ম শিক্ষা ও ধর্ম শেখানো এই স্বাধীনতার আওতায় পড়ে। নির্বাচনের অজুহাত দিয়ে ইসি নাগরিকদের সাংবিধান প্রদত্ত মৌলিক এই অধিকার কেড়ে নিয়ে জনমনে, আলেম সমাজ ও ইসলামের প্রতি বিরূপ মনোভাব তৈরি করতে চাচ্ছে। দেশের আলেম ও তৌহিদী জনতা ইসির এই অসাংবিধানিক নির্দেশনা মানতে পারেন না।

আল্লাহ কাসেমী বলেন, বিশ্বের কোথাও নির্বাচন উপলক্ষে ধর্মীয় প্রচারণা সীমিত করার নির্দেশনা দিয়ে থাকে, এমন খবর কেউ কখনো শুনেনি। যেখানে প্রকাশ্যে নেতাকর্মীরা রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে থাকেন, সরকারের বিভিন্ন অন্যায্য কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে থাকেন, সেখানে ওয়াজ-মাহফিলের মতো কুরআন-হাদিসের বয়ানের মাহফিলে নিষেধাজ্ঞা চাপানোর চেষ্টায় প্রমাণ হয়েছে, এই ইসি নাগরিক অধিকার হরণ ও ন্যায়-ইনসাফের পক্ষে কথা বলা বন্ধ করে সরকারের মসনদকে চিরস্থায়ী করার পাকাপোক্ত আয়োজন নিশ্চিত করছে।

তিনি আরও বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই সরকারগুলো নানা অজুহাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকদের ধর্ম পবিত্র ইসলামের নীতি-আদর্শ ও আচার-অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে একের পর প্রতিবন্ধকতামূলক সিদ্ধান্ত চাপানোর চেষ্টা করে আসছে।

বর্তমান সরকারের আমলে গত ১০ বছর ধরে সেটা ভয়াবহ মাত্রায় রূপ নিয়েছে। মুখে মদীনা সনদের কথা বললেও কার্যত ইসলামি নীতি-আদর্শের গোড়া কেটে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে।

‘ভোট দিতে পারলে বড় দুটি দলকেই বর্জন করবে মানুষ’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ