রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ।। ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জিয়াউলের নেতৃত্বে ভারত-বাংলাদেশজুড়ে ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ সক্রিয় ছিল’  সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা ‘রামমূর্তি স্থাপনের অজুহাতে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে’ মামুনুল হক ইস্যুতে এবার নিজের বক্তব্যও এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার রাজধানীতে সারা দিনের ভ্যাপসা গরম শেষে স্বস্তির বৃষ্টি গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ২, হাসপাতালে ২২০ ‘আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকার সচেষ্ট’  নির্বাচন ভবনের আশপাশের অবৈধ কম্পিউটারের দোকান উচ্ছেদে ইসির চিঠি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৭ মামলায় ৫৯ জনের সাজা’  বিসিএসে ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা পদ্ধতি বহাল থাকবে

আ.লীগ ছেড়ে গণফোরামে যোগদান করেই আলোচনায় তিনি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কুড়িগ্রাম-২ আসনে ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মেজর জেনারেল আমসা আমিন (অব.) সাবেক সেনা কর্মকর্তা হঠাৎ গণফোরামে যোগদান করায় কুড়িগ্রাম জুড়ে আলোচনায় এসেছেন তিনি।

আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন বলে জানে সবাই। মনোনয়ন অনিশ্চিত দেখে তিনি শনিবার দুপুরে ঢাকায় গণফোরামে যোগদান করেই দলের মনোনয়ন ফরম কেনেন। ধারণা করা হচ্ছে তিনি এ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হচ্ছেন।

অপরদিকে আওয়ামী লীগ থেকে ঐক্যফ্রন্টে যোগদানকে কেন্দ্র করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা এ খবরে মুষড়ে পড়েছেন। পূর্বে কোনো আলোচনা ছাড়াই আমছা আমিনের নাটকীয় যোগদানের কারণে দলের সাধারণ নেতাকর্মীরা এ নিয়ে অনেকটা অন্ধকারে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আমসা আমিন (অব.) আওয়ামী লীগে হঠাৎ যোগ দিয়ে কুড়িগ্রাম-২ আসনে দলের মনোনয়ন পেয়ে চমক সৃষ্টি করেন। নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তাজুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে ১৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন।

২০০৩ সালে তিনি দলের জেলা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালের উপনির্বাচনে তিনি দলের মনোনয়ন পাননি। পরে তাকে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু পরে তিনি জেলা পরিষদ নির্বাচনের আগেই এই পদ থেকে পদত্যাগ করেন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ