মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি চূড়ান্ত: নিষিদ্ধ পোস্টার সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল কলম্বিয়া, বহু হতাহতের শঙ্কা ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেনের যাত্রা শুরু মকতব শিক্ষার মানোন্নয়নে দ্বীনিয়াতের ‘বিশেষ শিক্ষক ওয়ার্কশপ’ আগামী বৃহস্পতিবার জুলাই জাদুঘরে ভাস্কর্যের বিকল্পে হেফাজতের দুই প্রস্তাব পাকিস্তানে হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন ১২ লাখ রুপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে পরাজয় জেনেও প্রার্থী দেওয়া বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা: মাওলানা ইউসুফী ৯ মাসের বেতন বকেয়া, চালডালের প্রধান কার্যালয়ে কর্মীদের অবস্থান জুলাই জাদুঘর থেকে নেতাকর্মীদের ভাস্কর্য অপসারণের কড়া হুঁশিয়ারি হেফাজতের

আ.লীগ ছেড়ে গণফোরামে যোগদান করেই আলোচনায় তিনি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কুড়িগ্রাম-২ আসনে ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মেজর জেনারেল আমসা আমিন (অব.) সাবেক সেনা কর্মকর্তা হঠাৎ গণফোরামে যোগদান করায় কুড়িগ্রাম জুড়ে আলোচনায় এসেছেন তিনি।

আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন বলে জানে সবাই। মনোনয়ন অনিশ্চিত দেখে তিনি শনিবার দুপুরে ঢাকায় গণফোরামে যোগদান করেই দলের মনোনয়ন ফরম কেনেন। ধারণা করা হচ্ছে তিনি এ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হচ্ছেন।

অপরদিকে আওয়ামী লীগ থেকে ঐক্যফ্রন্টে যোগদানকে কেন্দ্র করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা এ খবরে মুষড়ে পড়েছেন। পূর্বে কোনো আলোচনা ছাড়াই আমছা আমিনের নাটকীয় যোগদানের কারণে দলের সাধারণ নেতাকর্মীরা এ নিয়ে অনেকটা অন্ধকারে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আমসা আমিন (অব.) আওয়ামী লীগে হঠাৎ যোগ দিয়ে কুড়িগ্রাম-২ আসনে দলের মনোনয়ন পেয়ে চমক সৃষ্টি করেন। নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তাজুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে ১৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন।

২০০৩ সালে তিনি দলের জেলা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালের উপনির্বাচনে তিনি দলের মনোনয়ন পাননি। পরে তাকে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু পরে তিনি জেলা পরিষদ নির্বাচনের আগেই এই পদ থেকে পদত্যাগ করেন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ