মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি চূড়ান্ত: নিষিদ্ধ পোস্টার সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল কলম্বিয়া, বহু হতাহতের শঙ্কা ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেনের যাত্রা শুরু মকতব শিক্ষার মানোন্নয়নে দ্বীনিয়াতের ‘বিশেষ শিক্ষক ওয়ার্কশপ’ আগামী বৃহস্পতিবার জুলাই জাদুঘরে ভাস্কর্যের বিকল্পে হেফাজতের দুই প্রস্তাব পাকিস্তানে হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন ১২ লাখ রুপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে পরাজয় জেনেও প্রার্থী দেওয়া বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা: মাওলানা ইউসুফী ৯ মাসের বেতন বকেয়া, চালডালের প্রধান কার্যালয়ে কর্মীদের অবস্থান জুলাই জাদুঘর থেকে নেতাকর্মীদের ভাস্কর্য অপসারণের কড়া হুঁশিয়ারি হেফাজতের

৩ বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে রাষ্ট্রপতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মুহা. আব্দুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনা বাহিনী, নৌ বাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধান।

আজ বুধবার দুপুরে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত বঙ্গভবনে যান।

সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বাহিনীর সব সদস্যকে অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন,  মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক অবদান রাখছে। সশস্ত্র বাহিনী দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এতে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে।

আবদুল হামিদ তিন বাহিনীর কৌশলগত উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়ন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। এবং ভবিষ্যতে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতে তিন বাহিনী প্রধানের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিন বাহিনী প্রধানরা এ সময় নিজ নিজ বাহিনীর সার্বিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিতভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণের সূচনা করেন। এরপর থেকে প্রতিবছর ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ