শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮


তাবলিগ ও কওমি কলহ থামান; গ্রুপিংয়ে যেন মাদরাসা ও দাওয়াত বন্ধ না হয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আলী আবদুল মুনতাকিম
প্রকৌশলী ও কুরআন গবেষক

ছোট্ট বেলায় যার কাছে কোরান শিখেছি, নামাজ শিখেছি , আদব-কায়দা যিনি শিখিয়েছেন, জন্মের সময় দোয়া করেছেন, বিবাহ পড়িয়েছেন, আমার বাবা-মায়ের জানাজা পড়িয়েছেন, আমার ও জানাজা পড়াবেন, প্রতিদিন যার পেছনে নামাজ পড়ি, যার কাছে মাসালা জিজ্ঞেস করি, অসুখে দোয়া চাই, প্রতি জুমায় যাদের খুতবা শুনি, চাদর গায় দিয়ে শীতের রাতে দূরান্তের মাঠে বসে যাদের ওয়াজ শুনি, ভবন-রাস্তা, স্থাপনা উদ্বোধনে যাকে দোয়ার জন্য ডাকি, যাদের মুনাজাতে মাওলার ভয়ে চোখের পানি ভাসিয়ে কাঁদি, সেই তারা বা তাদের অত্যন্ত সুকৌশলে কি বিতর্কিত বা অজনপ্রিয়, বা মানুষের মন থেকে মর্যাদার আসন কেড়ে নেয়া হচ্ছে, নাকি তারা নিজেরাই লোভে পড়ে সব খোয়াতে বসেছেন, নাকি ভুল করে নিজেদের পায়ে কুড়াল মারছেন অবিরত, নাকি আমরা সাধারণেরাই কিছু বুঝতে অক্ষম।

যেমন তাবলিগে তেমনই কওমি অঙ্গনে এখন ঝড়-তুফান চলছে। এক গ্রুপ আরেক গ্রুপের বিরুদ্ধে আদাজল খেয়ে নেমেছে। কোমর ভেঙে যাওয়া জামায়াত, আনন্দে উদ্বেলিত চরমোনাই মিটিমিটি হাসছে। হায় মুসলমান!

তাবলিগের দেওবন্দ গ্রুপ আর সাদ গ্রুপ এর ঝগড়ায় অতিষ্ঠ হয়ে ফেসবুকের এক পোস্টে একজন লিখেছেন, ‘জায়গায় জায়গায় ওজাহাতি, তাবলীগ ধ্বংসের লালবাতি। অতিরিক্ত মাতামাতি, বলতে গেলেই হাতাহাতি।

খুরুজ কিন্তু টলমল, গীবত শেকায়েত জ্বলমল। মারকাজ দেখলে বেপরোয়া, কচিকাচা তলাবারা।’

তাবলীগের আমির সাদ সাহেব জোর করে মজলিশে সুরার নিয়ম ভেঙে ক্ষমতায় আছেন, হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন এই অভিযোগে তার এতায়াত বন্ধ করে দিয়েছেন দেওবন্দ তথা কওমিপন্থীরা।

ইজতেমা পর্যন্ত দুই ভাগ হয়ে যাচ্ছে। কাকরাইল তুরাগ এখন দুই চেহারা। এখন মসজিদগুলোতে গাশতের বদলে সাথীরা গীবতে কলহে সময় পার করছেন। কমে যাচ্ছে দাওয়াত। ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ মানুষ। মনে হচ্ছে ইসলামের মূল স্পিরিট এরা বুঝেন নাই।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কওমি সনদের স্বীকৃতি একটি যুগান্তকারী ঘটনা এবং ইতিহাসের মাইলফলক। তাকে যথাযথ সম্মানও জানানো হয়েছে।

কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে শোকরানা মাহফিলের মাধ্যমে ধন্যবাদ জানানোকে কেন্দ্র করে যেভাবে আালেম ওলামা নিজেদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দা ও গীবত চর্চা বা যে ভাষা ব্যবহার হচ্ছে তাতে আলেমগণের তাকওয়া, পরহেজগারী, নির্লোভ, নিঃস্বার্থবাদিতা, দ্বীনের খেদমতে খুলুসিয়াত, সততা, ক্ষমতার লোভ, ক্যামেরায় চেহারা দেখাবার মানসিকতা, ইত্যাদি নিয়ে মানুষের মাঝে কানাঘুষা, কদর্à