শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২ রিজভীর স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, নেতাকর্মীদের সতর্ক করল বিএনপি রাজধানীতে ‘বযমে নাতে মুস্তফা (সা.)’ অনুষ্ঠিত দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর ‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি

মানব দেহের জন্য ঝুঁকি পলিথিনের ব্যবহার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার  ইসলাম: দেশে আশির দশকে প্রথম পলিথিনের শুরু হয়। এরপর মাত্র ১৫ থেকে ২০ বছরে এর ব্যবহার এত বেড়েছে যে এটি পরিবেশ ও মানবদেহের জন্য ঝুঁকি হয়ে

দাঁড়িয়ে। যে কারণে পরিবেশ রক্ষায় ২০০২ সালের জানুয়ারী থেকে এটি ব্যবহার, উৎপাদন ও পরিবহন করাকে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা হয়।

আইনটি বাস্তবায়ণে শুরুর দিকে কঠোর হলেও ধীরে ধীরে শিথিল হয়ে পড়ে এর প্রয়োগ। ক্রমেই আইনটির প্রয়োগ শিথিল হতে হতে এখন বোঝার কোনো উপায়ও নেই যে দেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ।

হারহামেশাই ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ এ বস্তুটি। যেকারণে পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আর্থ ডে নেটওয়ার্ক বলছে, প্লাস্টিকের কারণে পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশের অবস্থান দশম।

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) বলছে, রাজধানীতে প্রতিদিন গড়ে ২ কোটি পলিথিন একবার ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া হয়। কারণ পলিথিন ব্যবহারে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এবং এটি একেবারেই সহজলভ্য বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিক্রেতারা যেকোনো পণ্যের সঙ্গে ক্রেতাদেরকে দিচ্ছে বিনামূল্যে। সেই সঙ্গে এমন পরিস্থিতিতে আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকায় নগরীর পুরান ঢাকায় এখনও নিষিদ্ধ এ পলিথিন উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ছোট-বড় তিনশটি কারখানায়।

আরো পড়ুন- ইসলাম গ্রহণ করলেন আইরিশ গায়িকা সিনিড ওকনর

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ