রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৯ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহতের আশঙ্কা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংহতি প্রকাশ শায়খে চরমোনাইয়ের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের ‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’ ভারতে খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২ শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ছবি তোলায় শোকজ, প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না : আখতার হোসেন নূরানী বোর্ডের কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ শুরু জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার জমিয়ত নেতা ড. শোয়াইব আহমদের

চীনে জোর করে ইসলাম ত্যাগ করতে বাধ্য করা হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: চীনের উত্তর-পশ্চিম দিকের জিজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী মুসলমানরা অস্তিত্ব সংকটে ভুগছেন। তাদের জোর করে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

আমেরিকা ও ব্রিটেনের সরকারি একাধিক সূত্রে জানা যায়, এই মুহূর্তে প্রায় এক লক্ষ মুসলিম চীনের বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন।

সেখানকার মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ উইঘুররা জানান,  কয়েক মাস ধরেই সেখানে মুসলিমদের অন্যধর্মে দীক্ষিত করার জন্য মতদীক্ষাদান শুরু করা হয়েছে।

তাদেরকে জোর করে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। নিজেদের ধর্ম ও বিশ্বাসের সমালোচনা করতে বাধ্য করা হচ্ছে। প্রতিদিন কমিউনিস্ট পার্টির নীতি-আদর্শগত গান দীর্ঘক্ষণ ধরে গাইতে বাধ্য করা হয়।

শুয়োরের মাংস ও মদ খেতে বাধ্য করা হচ্ছে। যে দুটি খাবার ইসলাম ধর্মের ঘোর বিরোধী। অন্যথায় তাদের উপর অকথ্য অত্যাচার নির্যাতন চালানো হয়।

অন্যদিকে চীন তাদের জনসংখ্যা নিয়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছেন। মুসলিমদের দাবী উড়িয়ে তারা জানাচ্ছেন, স্কুল বা হাসপাতালে এই ধরনের ক্যাম্পগুলি তৈরি করা হয়েছে। এদিকে সেখানকার মুসলিমরা জানাচ্ছেন, তাদের ক্যাম্পগুলি গোরস্থান এলাকায় তৈরি।

এ প্রসঙ্গে জেওরগেটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ইতিহাসের অধ্যাপক জেমস মিলওয়ার্ড জানান, চীনে ধর্মীয় বিশ্বাস একটি ব্যাধির মতো। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, বেইজিং প্রায় সময়ই ধর্মীয় উগ্রতা ও বিচ্ছিন্নতাবাদের পক্ষে ইন্ধন জোগায়।

চীন ভয় পাচ্ছে এই ভেবে যে উইঘুররা যদি জিজিয়াংকেই তাদের স্থায়ী বাসস্থানে পরিণত করে তাহলে কী হবে?

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে একটি হিংসার ঘটনায় প্রায় একশজন মানুষের মৃত্যু হয়। এদিকে চীনা প্রশাসন তাদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে এ মনে করে যে  উইঘুর সম্প্রদায়ের ক্রম বিকাশ রোধ করা না গেলে দেশের দুর্দিন খুবই নিকটে। তাই তারা এখন নির্যাতন আর নিপীড়ন করে তাদের দেশ ত্যাগে বাধ্য করতে চাচ্ছে।

সূত্র: দ্যা আটলান্টিক নিউজ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ