বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জ্ঞান-গরিমায় উঁচু পাহাড় ছিলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভি’ ড. ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা ও প্রতিবাদ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টার  আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক একাগ্রতার সালাত টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী-বিজিবি ‘আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়’  চীনের ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী আল্লামা নুরুল হকের ইন্তেকালে জমিয়তের শোক সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর ইন্তেকালে সচেতন আহলে সুন্নাত ফেডারেশন’র শোক

হজে উচ্চারিত কিছু আরবি পরিভাষার অর্থ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:বান্দার সঙ্গে আল্লাহর সেতুবন্ধনের উপায় হলো হজ পালন করা। যাদের আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্য রয়েছে, হজ তাদের জন্য ফরজ ইবাদত। হজের আভিধানিক অর্থ ইচ্ছা করা, সফর, ভ্রমণ করা। ইসলামি পরিভাষায় হজ হলো নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত স্থানে বিশেষ কিছু কর্ম সম্পাদন করা। হজের নির্দিষ্ট সময় হলো আশহুরে হুরুম বা হারাম মাসগুলো তথা শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ; বিশেষত ৮ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত ৫ দিন।

বিশ্বের নানা প্রান্তের, নানা ভাষার মানুষ হজ পালনের জন্য সৌদি আরব গমন করেন। হজ ও উমরার সময় ব্যবহৃত হয় কিছু আরবি পরিভাষা, যা থাকলে হজ পালন অনেকটাই সহজ হয়, হজের আচার-আচরণ পালনে ভিন্ন অনুভূতি জাগে মনে। যেহেতু পরিভাষাগুলো আরবি এবং বহুল ব্যবহৃত, তাই সেসব পরিভাষা সম্পর্কে আজকে আলোচনা করা হলো। আশা করি, অনুসন্ধানী হজযাত্রীদের এগুলো উপকারে আসবে।

ইহরাম: হারাম বা নিষিদ্ধ করে নেওয়া। হজ ও ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট কিছু কথা ও কাজ নিজের ওপর নিষিদ্ধ করে নেওয়ার সংকল্প করা। বানানভেদে অনেকেই এটাকে এহরামও বলেন।

তাওয়াফ: প্রদক্ষিণ করা। পবিত্র কাবার চারপাশে প্রদক্ষিণ করাকে তাওয়াফ বলে।

ইজতিবা: ডান বগলের নিচ দিয়ে চাদরের প্রান্ত বাম কাঁধের ওপর উঠিয়ে রাখা। এভাবে ডান কাঁধ খালি রেখে উভয় প্রান্ত বাম কাঁধের ওপর ঝুলিয়ে রাখা। যে তাওয়াফের পর সাঈ আছে পুরুষের জন্য সে তাওয়াফের প্রথম তিন চক্করে রমল করা সুন্নত। আর ওই তাওয়াফের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ইজতিবা অবস্থায় থাকা পৃথক একটি সুন্নত।

রমল: ঘন পদক্ষেপে দ্রুত হাঁটা। হজ বা ওমরার প্রথম তাওয়াফের সময় প্রথম তিন চক্কর ডান কাঁধ খোলা রেখে বীরের বেশে দ্রুততার হাঁটতে হয়, এটাকে রমল বলে।

তাওয়াফে কুদুম: কদুম অর্থ আগমন করা। সুতরাং এর অর্থ আগমনি তাওয়াফ। মিকাতের বাইরের লোকেরা যখন হজ বা ওমরার উদ্দেশ্যে কাবা শরিফে আসেন, তখন তাদের বায়তুল্লাহ তথা কাবার সম্মানার্থে এ তাওয়াফটি করতে হয়, এটি সুন্নত।

তালবিয়া: সাড়া দেওয়া। আল্লাহতায়ালার ডাকে সাড়া দিয়ে হজ বা উমরার উদ্দেশ্যে আগমনকারীকে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক...’ বলে যে কথাগুলো পাঠ করতে হয় তাকে তালবিয়া বলে।

মাকামে ইবরাহিম: হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের দাঁড়ানোর স্থান। একটি বড় পাথরের ওপর দাঁড়িয়ে হজরত ইবরাহিম (আ.) কাবা নির্মাণের কাজ করেন। ওই পাথরে তার পদচিহ্ন পড়ে যায়, যা এখনও বর্তমান। কাবা শরিফের সামনে অবস্থিত এই পাথরকে মাকামে ইবরাহিম বলা হয়।

মাতাফ: তাওয়াফ করার স্থান। কাবা ঘরের চারদিকে সাদা পাথর বিছানো এলাকাকে মাতাফ বলা হয়। এই স্থান দিয়ে তাওয়াফ করা হয়।