শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ।। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কঠোর সতর্কতা আমিরাতের ‘দ্রুতবিচারের দাবিকে মধ্যযুগীয় বলে জনতার সঙ্গে উপহাস করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ মসজিদে হারামের খুতবায় হজের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান ‘ধর্ষকের প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ডকে মধ্যযুগীয় বলা ইসলামি মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা’ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাফেজ কামরুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক যুগ ধরে হজের খুতবা দিয়েছেন যেসব আলেম রাত ১টার মধ্যে ১১ অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধে মারামারি, আহত ১২ ‘ঔপনিবেশিক আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি গণ-অনাস্থা তৈরি হয়েছ’ শিশু ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিক্ষোভ

'রোহিঙ্গাদের কাছে হত্যা আর ধর্ষণের যে বিবরণ শুনেছি তা অকল্পনীয়'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে সকালে কক্সবাজার গেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম।

সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাংলাদেশ বিমান (ইএ১৭০৮) একটি বিশেষ বিমানে করে তারা কক্সবাজার পৌঁছান। সেখান থেকে তারা প্রথমে হোটেল সাইমন বিচ রিসোর্টে যান। সেখানে আন্তোনিও গুতেরেস ও জিম ইয়ং কিমকে রোহিঙ্গা সংকট এবং সমস্যা নিয়ে অবিহিত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী।

এরপর সকাল ১০টার দিকে কলাতলী শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে শরণার্থীশিবির পরিদর্শনে যান জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট। সেখানে তারা কুতুপালং, লম্বাশিয়া, মধুরছড়া এই তিনটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে ঘোরার ফাঁকেই জাতিসংঘ মহাসচিব এক টুইটে তার অভিজ্ঞতার কথা বললেন।

তিনি লিখেন, ‘মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা এই রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে হত্যা আর ধর্ষণের যে বিবরণ শুনেছি তা অকল্পনীয়। তারা শুধুমাত্র বিচার চায়, নিরাপদে বাড়ি ফিরে যেতে চায়।’

মিয়ানমারের রাখাইনে নতুন করে সেনা অভিযান শুরুর পর গত দশ মাসে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। গ্রামে গ্রামে নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াওয়ের ভয়াবহ বিবরণ পাওয়া গেছে তাদের কথায়।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওই অভিযানকে জাতিসংঘ বর্ণনা করে আসছে জাতিগত নির্মূল অভিযান হিসেবে।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ