মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ৪ লাখ শিক্ষার্থীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছেলে-মেয়েদের আলাদা ক্লাসরুম চালুর দাবি ছাত্র জমিয়তের কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জনের মৃত্যু চা শ্রমিকদের সুরক্ষায় ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পরিবহনের পাশাপাশি সর্বক্ষেত্রে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জ্বালানি সংকট সমাধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাতারে প্রতিনিধি দল ‘রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার না হওয়ায় পরিস্থিতির পরিবর্তন দৃশ্যমান নয়’ দেশের ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ইসলামপন্থীরা নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্নীতিবাজরা জনপ্রতিনিধি হবে: আমিরে মজলিস রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসি সচিবসহ ২০ কর্মকর্তা নিয়োগ

বিচারকে পবিত্র পেশা হিসেবে দেখেন সদ্য শপথ নেয়া অন্ধ বিচারক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গতকাল মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রথম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিচারক ইউসাফ সালিম। শপথ পরবর্তী এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি বলেন, বিচার একটি পবিত্র পেশা। কারো চোখ রাঙানির ভয়ে এ পেশাটিকে কলুষিত না করার আহবান জানিয়েছেন সব বিচারকদের প্রতি।

লাহোর হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ইয়াওর আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণের পর ইউসাফ সালিম পাকিস্তানের আইন ও বিচারের ইতিহাসে একজন কিংবদন্তী বিচারক হিসেবে দেশটির সবশ্রেণির মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

ইউসাফ সালিমের এ ব্যতিক্রমী ইতিহাস গড়ার পেছনে পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

সালিমের যোগ্যতা ও অবস্থান যথার্থ থাকা সত্ত্বে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় প্রথম পর্যায়ে তার নিয়োগ আটকে যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রধান বিচারপতি মিয়া সাকিব নিসারের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি লাহোর হাইকোর্টকে বিষয়টি পর্যালোচনা করতে বলেন।

লাহোর হাইকোর্ট সব দিক বিবেচনায় এনে সালিমকে এ মার্যাদাপূর্ণ পদে নিয়োগের সুপারিশ করেন।

সালিমের বাবা একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। জন্মের পর থেকেই তিনি দুই চোখে দেখতে পান না। তার চার বোনের দুজনই দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী।

উল্লেখ্য, তার বোন সায়মা সালিম ২০০৭ সালে দেশটির প্রথম দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী সিভিল সার্ভেন্ট হিসেবে যোগ দেন।

আলেম সাংবাদিক কেন প্রয়োজন?

এসএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ