বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ।। ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
যে কারণে কওমি মাদরাসা আপনার জাকাত ও দানের বেশি হকদার যুব সংগঠক আমিনুল ইসলাম সাদীকে জাতীয় পদকে ভূষিত করার দাবি ‘নিরাপদ অভিবাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন আলেমরা’ নানুপুর মাদরাসায় ৪০ দিনের ইতেকাফে প্রায় তিন হাজার মুসল্লি শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে কওমি পড়ুয়া আব্দুল্লাহ সাঈদের ধারাবাহিক সাফল্য ‘দলীয় স্বার্থ বিবেচনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন পেছানো একটি ফ্যাসিবাদী প্রবণতা’ হবিগঞ্জ ইকরা শিশুদের যুদ্ধবিরোধী অভিনব প্রতিবাদ ঢাকা-১৩সহ ৫ আসনের ব্যালট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের সরকার জাতিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়: আমিরে মজলিস

ব্রেইনস্টেক করে হাসপাতালে কারী মাওলানা রহমতুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হামিম আরিফ: নুরানী পদ্ধতিতে শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রাণপুরুষ  কিশোরগঞ্জ জামেয়া নূরানিয়া তারাপশার প্রতিষ্ঠাতা ও মুহতামিম রঈসুল মুআল্লিম কারী মাওলানা রহমতুল্লাহ ব্রেইন স্টোকে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার আগারগাঁও নিওরো সায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

জামেয়া নূরানিয়া তারাপশার শিক্ষক মাওলানা যুবায়ের আওয়ার ইসলামকে বলেন, কারী মাওলানা রহমতুল্লাহ সোমবার হঠাৎ করেই ব্রেইনস্টোক করেন। চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক ঢাকায় আনা হয়। তবে তিনদিন হলেও এখনো তার জ্ঞান ফিরেননি।

কারী মাওলানা রহমতুল্লাহ নুরানী পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা প্রসারের জন্য বাংলাদেশে ব্যাপক অবদান রেখেছেন। গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় হলেও তিনি কিশোরগঞ্জে ১৯৮২ সালে জামিয়া নুরানিয়া তারাপাশা মাদরাসার প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এখানে দাওরা ও উলুমুল হাদিসসহ কওমি মাদরাসার পূর্ণ জামাত পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি বাংলাদেশে নূরানি পদ্ধতির আবিষ্কারক শাইখুল কুররা কারী বেলায়েত হোসাইন রহ. এর আপন চাচতো ভাই এবং অন্যতম শীষ্য।

কিশোরগঞ্জে মাদরাসা ছাড়াও ঢাকার মোহাম্মদপুর সাতমসজিদের পাশেই ১৯৮৪ সালে তিনি নূরানি মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্স খুলেন। যেখানে সারা বছর কুরআন প্রশিক্ষণ হয়ে থাকে। এর আওতায় সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রশিক্ষণ হয়ে থাকে।

১৯৬৫ সালে কারী মাওলানা রহমতুল্লাহ লালবাগের জামিয়া কুরআনিয়া আরাবিয়া থেকে দাওরায়ে হাদিস পাস করেন। জামিয়া নুরিয়া কামরাঙ্গির চরে শিক্ষকতার মাধ্যমে তার অধ্যাপনার জীবন শুরু। এরপর সদর সাহেব রহ. এর আবেদনে তিনি চলে যান গহরডাঙ্গায়। সেখানে হাদিসের কিতাবগুলো দরস দেন।

স্বাধীনতার পর মাওলানা কারী বেলায়ে হোসাইন রহ. এর সঙ্গে যৌথ ভাবে নূরানি শিক্ষার প্রসারে কাজ করেন।

বাংলাদেশে দীনের অন্যতম এ খাদেমের সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার ছেলে মাওলানা আবুল বাশার।

জামিআ মাহমুদিয়া ইসলামিয়ায় ভর্তি চলছে

-আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ