শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বালাগঞ্জে বিকেএমের ওয়ার্ড প্রতিনিধি ও দায়িত্বশীল সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশ গড়ার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল মহিলা মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ, ৫ শিক্ষার্থী আহত নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২ রিজভীর স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, নেতাকর্মীদের সতর্ক করল বিএনপি রাজধানীতে ‘বযমে নাতে মুস্তফা (সা.)’ অনুষ্ঠিত দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর ‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার

ব্যাংকিং ও আধুনিক ব্যবসা-বাণিজ্যের কথা বলে যে বই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংক ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা এখন মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। দিন দিন বিস্তার লাভ করে চলছে এ প্রক্রিয়া। ব্যবসার নিত্য-নতুন প্রক্রিয়া-পদ্ধতিও উদ্ভাবিত হচ্ছে প্রতিদিন প্রতি ক্ষণ।

ব্যবসা-বাণিজ্য ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা মৌলিকভাবে কল্যাণকর হলেও এর বিভিন্ন পদ্ধতিতে রয়েছে সুদের বিচরণ। এ সুদ সম্পর্কে কুরআন-হাদিসে অনেক নিষেধাজ্ঞা ও ধমক রয়েছে। যারা সুদি কারবারে জড়িত থাকে, কুরআন-হাদিসে লানত করা হয়েছে তাদের ওপর, তাদের জন্য পরকালীন শাস্তি অবধারিত।

সুদমুক্ত ব্যবসা-বাণিজ্য ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা দেশ ও জাতি যত দিন অবলম্বন করবে না, ততদিন তারা সমগ্রিক সফলতা ও বহুমুখী কল্যণ অর্জন থেকে বঞ্চিত হবে।

সুদমুক্ত ব্যবসা-বাণিজ্যের ইসলামসম্মত পদ্ধতি না জানার কারণে আমাদের মধ্যে অনেকে সুদি কারবারে জড়িত হয়ে যায়। কিন্তু এই ঘাটতি পূরণে সহায়ক হবে ব্যাংকিং ও আধুনিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ইসলামি রূপরেখা বইটি।

বাজারে এ ধরনের অনেক বই থাকলেও ব্যবসা-বাণিজ্য ও ইসলামিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় রেফারেন্সসহ উপস্থাপনা করা হয়েছে এমন বই খুব একটা চোখে পড়ে না। সুতরাং আপনারা যারা ব্যবসা-বাণিজ্য ও ইসলামিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত, তাদের জন্য এই বইটি খুবই উপকারী। বইটি লিখেছেন ড. মুহাম্মদ ইরান আশরাফ ওসমানি। তিনি মুফতি তকি উসমানির সুযোগ্য সন্তান।

ইসলামি অর্থনীতিতে এলএলবি, এম.ফিল এবং পিএইচডি ডিগ্রিধারী ইরান। জামিয়া দারুল উলুম করাচি থেকে ইসলামিক ফিকহ ও ফতোয়া বিষয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

বাংলা ভাষাতে বইটি অনুবাদ করেছেন মাওলানা মুহাম্মাদ ছলিমুল ওয়াহেদ। তিনি ঢাকার জামিয়া বাইতুল আমান মাদরাসায় ভাইস প্রিন্সিপাল ও সিনিয়র মুহাদ্দিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গুরুত্বপূর্ণ বইটি সম্পাদনা করেছেন মুফতি আমীমুল ইহসান।

বইটির শুরুতের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকররমের সাবেক খতিব আল্লামা উবায়দুল হক জালালাবাদী (রহ.) এবং আল্লামা আবদুল হালীম বোখারীর অভিমত রয়েছে, যা বইটির গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করেছে। মোট সাতটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত গোটা বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৮৪।

প্রকাশনা মানও অন্যান্য ইসলামি বইয়ের তুলনায় বইটি ভালো হয়েছে। বইটির পাতায় পাতায় অসংখ্য পরিমাণ রেফরেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রত্যেক গবেষকধর্মী পাঠককে সন্তুষ্টির স্বস্থি দান করবে সুনিশ্চত।

২০০৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় বইটি। এরপর ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় সংস্করণ। বইটির মূল্য ২২০ টাকা। এর প্রচ্ছদ বা কভার ডিজাইন করা হয়েছে প্রিন্ট মিডিয়া নামক প্রতিষ্ঠান থেকে।

পুরান ঢাকার বাংলা বাজারে অবস্থিত ৩৭, নর্থব্রুক হল রোডে (বিশাল বুক কমপ্লেক্স) মাদানী কুতুবখানার বিক্রয়কেন্দ্র। আগ্রহীদের কেউ বইটি ক্রয় করেত চাইলে কল করুন ০১৭৩৩-২০ ৬৭ ৫৭ এই নম্বরে অথবা মেইল করুন madanikbd@gmail.com ঠিকানায়।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ